নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকার দোহার উপজেলায় দিন দিন বেড়েই চলছে ড্রেজার পাইপের জনদূর্ভোগ। উপজেলায় যত্রতত্র নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ড্রেজার পাইপ বসানো হচ্ছে। ০৩ জুলাই রোববার দুপুরে উপজেলার চর লটাখোলা এলাকায় সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় রাস্তার উপর দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে ড্রেজার পাইপ নেয়া হয়েছে। কোথাও রাস্তা কেটে কোথাও আবার রাস্তার নিচ দিয়ে ছিদ্র করে নেয়া হয়েছে ড্রেজার পাইপ। যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত। সেই সাথে ফসলি জমির উপর দিয়েও ড্রেজার পাইপ নিতে দেখা গিয়েছে। এতে করে ফসলি জমিও ব্যপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, আক্তার হোসেন ও আল আমীন চোকদার নামে স্থানীয় দুই ব্যক্তি প্রভাব বিস্তার করে জনদূর্ভোগ তৈরি করে এবং সরকারের উন্নয়ন ব্যহত করে এই ড্রেজার ব্যবসা করে আসছে। এছাড়াও উপজেলার মাহমুদপুর, নয়াবাড়ি ও বিলাসপুর ইউনিয়নকে ড্রেজারের নগরীতে পরিনত করেছে এসব ব্যবসায়ীরা। আল আমীন চোকদার আর আক্তার হোসেনই নয় এদের সাথে রয়েছে একাধিক সংঘবদ্ধ লোক। তাদের রয়েছে একটি ড্রেজার সমিতি আর এই সমিতির মাধ্যমেই উপজেলার সব জায়গায় ড্রেজার ব্যবসা পরিচালনা করে তারা। তবে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও এভাবে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের সামনেই অবাধে রাস্তাঘাটের ক্ষতি করে জনদূর্ভোগ সৃষ্টি করে বছরের পর বছর ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে তারা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, ড্রেজার ব্যবসায়ীরা অনেক প্রভাবশালী। তারা কারও কথা শুনে না। তাদের ভয়ে কেউ ক্যামেরার সামনে কথা না বলাটাই বলে দেয় ড্রেজার ব্যবসায়ীরা কতটা প্রভাব দেখায় এসব অঞ্চলে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোবাশ্বের আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনাদের মাধ্যমে বিষয়টি আমরা অবগত হলাম। যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো এবং অভিযান পরিচালনা করবো।
