‘শীতে থাকা যাচ্ছে না’

ডেস্ক রিপের্ট:মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহে কাবু হয়ে পড়েছে উত্তরের জনপদ। বিশেষ করে রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের তাপমাত্রা নেমে গেছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। এসব এলাকার মানুষের দিন কোন রকম কাটলেও রাত কাটছে কনকনে ঠান্ডার সঙ্গে যুদ্ধ করে।

গরম কাপড়ের অভাব। তীব্র শীতে যেনও জমে গেছে কুড়েঘরের বিছানা-বালিশ। তাই একটু উষ্ণতার জন্য আগুনের কুন্ডলি ভরসা রংপুর নগরীর বস্তিগুলোতে বসবাস করা শত শত মানুষের। কিন্তু জ্বালানোর মতো খড়কুটোরও অভাব। তাই প্লাস্টিকের স্যান্ডেল, পলিথিন কুড়িয়ে আগুন জ্বালিয়ে শিশুদের নিয়ে বসেছেন মায়েরা একটু উত্তাপের আশায়।

এক নারী জানান, গরম কাপড় নেই। শীতে থাকা যাচ্ছে না। সেজন্য আগুনের তাপ নিচ্ছি।সূর্যের মৃদু-মন্দা তাপে দিনের অংশটা কাটাতে পারলেও রাত কাটেনা স্টেশনের খোলা প্লাটফরমে আশ্রয় নেয়া মানুষের। ছেঁড়া কাঁথা, চট বা প্লাস্টিকের বস্তা জড়িয়ে সান্ত্বনা খোঁজেন গৃহহীন নারী-পুরুষ।

স্টেশনে আশ্রয় নেয়া একজন জানান, সারাদিন কাজ করে এখানে এসে ঘুমাই। কিন্তু ঠান্ডার জন্য থাকা যাচ্ছে না।আবহাওয়া অফিস বলছে, বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি তাপমাত্রা ছিলো শনিবার। দুই দিন একই অবস্থা বিরাজ করবে।

রংপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বিরাজমান। আগামী দু একদিনের মধ্যে বর্তমান অবস্থার উন্নতি হবে।
শহুরে মানুষের চেয়ে গ্রামের বিশেষত নদী বেষ্টিত জনপদে মৃদু থেকে মাঝারি এই শৈত্যপ্রবাহ রীতিমতো ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *