নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলায় বিলাশপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদ চোকদারের নির্বাচনী উঠানবৈঠকে অতর্কিত হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শহিদ মিয়া নামে এক কর্মী-সমর্থক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে । আহত শহিদ মিয়া রাধাঁনগর গ্রামের শহর মোল্লার ছেলে। আহত শহিদ মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
গত রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধাঁনগর ৫ নং ওয়ার্ডের আব্দুল করিম খানের বাড়িতে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদ চোকদারের নির্বাচনী উঠানবৈঠকে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার সন্ধ্যায় উপজেলার বিলাশপুর ইউনিয়নের রাধাঁনগর ৫ নং ওয়ার্ডে আব্দুল করিম খানের বাড়িতে উঠানবৈঠকের আয়োজন করেন চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদ চোকদারের সমর্থকরা। সেখানে হঠাৎ দেশিয় লাঠিসোটা নিয়ে উঠানবৈঠক চলাকালীন সময় আতা খানের নের্তৃতে ১০-১৫ জনের একটি দল উঠানবৈঠকে প্রবেশ করে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে রাশেদ চোকদারের কর্মী-সমর্থক শহিদকে রক্তাক্ত্ জখম করে ও উঠানবৈঠক পণ্ড করে দেয়। এঘটনায় দোহার থানায় ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শহিদ মিয়া বলেন, আমি রাশেদ চোকদারের সমর্থন করে আমার মামা, খালা এবং ৫ নং ওয়াডের্র সকল জনগণকে নিয়ে উঠানবৈঠক করতেছিলাম হঠাৎ আতা খানসহ আরও লোকজন আমাদের ওপর দেশীয় লাঠিসোটা অতর্কিত নিয়ে হামলা করে। অতর্কিত এ হামলায় আমরা ছোটাছুটি করি। এসময় আতা খানের লোকেরা আমিসহ আরও কয়েকজনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং লাঠিসোঠা দিয়ে পিটিয়ে আহত করে।
হামলার ঘটনা সম্পর্কে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাশেদ চোকদার বলেন, আমার নির্বাচনী উঠানবৈঠকে প্রতিপক্ষের লোকজন হামলা চালায়। তাদের হামলায় আমার এক সমর্থক গুরুতর আহত হয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবী করছি।
দোহার থানার ডিউডি অফিসার -সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নান্টু মজুমদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অধিকতর তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
