সিংগাইরে জমি নিয়ে বিরোধের সংঘর্ষে নারীসহ আহত-৫

স্টাফ রিপোর্টার : মানিকগঞ্জের সিংগাইরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেড় ধরে সংঘর্ষে ৫ জন আহত হয়েছেন। শনিবার সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জামশা ইউনিয়নের দক্ষিণ জামশা বুড়া খালি পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- উপজেলার জামশা ইউনিয়নের দক্ষিণ জামশা ৫ নং ওয়ার্ডের বুড়া খালি মহল্লার মৃত. মো. কাইয়ূমের পুত্র মো. আনিছুর রহমান (৪০),মৃত মো. মাতাব আলীর পুত্র ইউসুফ আলী (৪৫), মো. ওয়াজেদ আলী মাস্টারের স্ত্রী ছালমা আক্তার (৫০) ছেলে সাজেদ মামুন (২৯) ও ওহাব আলীর স্ত্রী চায়না বেগম (৪০)। আহতরা এ ব্যাপারে সিংগাইর থানায় ১টি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ভুক্তভোগীদের সূত্রে জানা যায়, আনিছুর রহমান চার চাচাত ভাই পার্টনারে একটি পাওয়ার টিলার ক্রয় করেন নিজেদের জমি চাষ করতে। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার সন্ধ্যায় মো. ওয়াজেদ আলীর মাস্টারের বাড়ির অদূরে মো. ওহাব আলীর খেতে পাওয়ার টিলার দিয়ে হাল চাষ করার সময় পূর্ব শত্রুতার জেড় ধরে একই মহল্লার মৃত মো. আতাব আলীর পুত্র মো. খোরশে আলম (৪০),হিসাব আলী (৫০),মো.মোখছেদ (৩৮), হিসাব আলীর পুত্র মো. মোতালেব (২৮), খোরশেদ আলমের পুত্র মো. রনি (১৮) পরশ আলীর পুত্র কিতাব আলী (৪৫) গংদের নিয়ে রামদা, রড, হাতুরি , লাঠি দিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে হাল চাষ করার সময় আনিছুর রহমানকে মাথায় কোপ দিলে মাটিতে লুটে পরলে তার ডাকচিৎকার আশে পাশে থাকা ইউসুফ আলি, সাজেদ মামুন, ছালমা আক্তার, চায়না বেগম এগিয়ে এলে তাদের উপর্যুপরি মারধর করে ছালমা আক্তারের বাম হাত ভেঙ্গে দেয়,ইউসুফের ডান পা হাটুর নিচে ক্ষত হয় অন্যদের মারাত্বক জখম করে। এবং পাওয়ার টিলার খোরশেদের বাড়ি নিয়ে যায়।

পরে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় আত্বীয়স্বজন ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যে কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। দুইজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে । তিন জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি থাকে।

করোনা ভাইরাস সনাক্ত হওয়ায় পৌর এলাকায় রবিবার লকডাউন ঘোষনার কারনে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার চিকিৎসাপত্র দিয়ে রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি পাঠায়। আহতরা বাড়িতে চিকিৎসাধীন আছেন।
বিবাদী মো. খোরশেদ আলম, জমি সংক্রান্ত বিরোধের কথা স্বীকার করলেও মারামারির বিষয়টি এড়িয়ে যান। এমনকি সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।

মো. আব্দুল হালিম মেম্বার বলেন- মারামারি ঘটনা আমি পরের দিন শুনেছি। শুনে আমি তাদের দেখে আসছি। এ ভাবে বয়স্ক মহিলাসহ তাদের মারা ঠিক হয়নি। এ প্রশ্নের জবাব তিনি বলেন- এরা আইনের আশ্রয় নিয়েছে। আইনে ওপরে তো আমাদের হাত নেই তবে কোন সহযোগীতা লাগলে করব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *