ডেস্ক রিপোর্ট : করোনার কারণে নেই কোন আয়োজন। অনেকটাই সাদামাটা বড়দিন উদযাপনের প্রস্তুতি ঐতিহাসিক জেরুজালেম শহরে। উৎসবের ঘনঘটা না থাকলেও আলোকসজ্জাকরা হয়েছে শহরজুড়ে। এতে মহামারির অন্ধকার কাটিয়ে সুদিনের প্রত্যাশা করছেন জেরুজালেমবাসী। বাজছে গির্জার ঘণ্টা। তবে নেই কোন তীর্থযাত্রী। কয়েকশ’বছরের ইতিহাসে দর্শনার্থী ও পর্যটকশূন্য জেরুজালেমের এই রূপ আগে কখনো দেখেননি স্থানীয়রা। তবে বর্ণিল আলোকসজ্জা জানান দিচ্ছে- আসছে বড়দিন।
একজন জানান, ৪০০ শতাব্দীর পর থেকে জেরুজালেম এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়নি। একজন তীর্থযাত্রীও নেই এবার।করোনার তৃতীয় ঢেউ সামনে রেখে বন্ধ রয়েছে পবিত্র জেরুজালেমের ঐতিহাসিক পবিত্র সেপুলকার গির্জা। অনেক খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীর বিশ্বাস এখানেই ক্রুশবিদ্ধ হন যিশু খ্রিস্ট।৯ মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই অচলবস্থার কারণে মন্দা দেখা দিয়েছে পর্যটন খাতে। বেকার হয়ে পড়েছেন অনেক ট্যুরিস্ট গাইড, বন্ধ হোটেলসহ বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট।
কয়েকজন জানান, বর্তমান পরিস্থিতিকে হরর মুভির সঙ্গে তুলনা করা যায়। অর্থনৈতিক, মনস্তাত্বিক যাই বলুন না কেন। এই প্রথম এমন একটা বড়দিন উদযাপন করছি আমরা।নিষ্প্রাণ বড়দিনের উৎসব আয়োজনেও বাসাবাড়ি, স্থাপনাসহ বিভিন্ন জায়গায় আলোকসজ্জা করছেন স্থানীয়রা। এই আলো সুদিনের বার্তা বয়ে নিয়ে আসবে, ছড়াবে খুশির জোয়ার এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।
