কেরানীগঞ্জ( ঢাকা) প্রতিনিধি
নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্টে রাজধানী মুখী মানুষের ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। সকাল থেকেই ঘাটারচরে বসিলা সেতুর,কদম তুলির গোল চত্বরে বাবুবাজার সেতুর এবং হাসনাবাদে বুড়িগঙ্গা প্রথম সেতুর প্রবেশ মুখে চেকপোস্ট বসিয়ে পুলিশ বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার ও সিএনজি অটো রিক্সায় ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েছে। এ সময় যাত্রীদের মোবাইল ফোন চেক করে প্রায় শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীদের আটকের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে বুড়িগঙ্গা নদীতে অর্ধশতাধিক খেয়াপারাপারের ঘাট গুলো সকাল থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বুড়িগঙ্গা নদীতে সকল থেকেই খেয়ানৌকা গুলো চলাচল বন্ধ রয়েছে। কিছু কিছু ঘাটে পুলিশ অবস্থান কেরছে। এতে নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পরে। তবে চেকপোস্ট ও ও তল্লাশীর বিষয়ে পুলিশের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা জানিয়েছেন কেউ যেন আগ্নেয়াস্ত্রসহ অন্যান্য নিষিদ্ধ জিনিস বহন করতে না পারে এজন্য তারা এই তল্লাশি চালিয়ে চালাচ্ছেন। তবে বিএনপি নেতাকর্মীদের আটকের বিষয়টি তারা এড়িয়ে যান। অন্যদিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে রাজধানী ঢাকাগামী মুন্সিগঞ্জসহ দক্ষিণ বঙ্গের বিভিন্ন জেলার চলাচলকারী যাত্রীবাহী বাস, মিনিবাস,মাইক্রোবাস ও প্রাইভেট কারের চলাচল খুবই কম ছিল। অন্যান্য দিনের তুলনায় এই ছুটির দিনেও খুবই কম সংখ্যক গাড়ি চলাচল করতে দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু অনেক যাত্রীরা জানিয়েছেন দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব যাত্রীবাহী পরিবহনগুলোকে বৃহস্পতিবার রাত্র থেকেই পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা নিয়ন্ত্রণ করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা শ্রমিক দলের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শাহিন কে স্ট্যান্ড বাজার এলাকায় তার নিজ বাড়ি থেকে পুলিশ আটক করে। তবে কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন পয়েন্ট থেকেও হাজার হাজার বিএনপি’র নেতাকর্মীরা বৃহস্পতিবার রাতেই যে যার মত রাজধানীতে প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে।
