নবাবগঞ্জে একটি হত্যা মামলার সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে অটোরিকশা চালক মামুনকে আটক করে পুলিশ। পরে হাজতখানার টয়লেট থেকে মামুনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের দাবি, মামুন তার পরনের লুঙ্গি দিয়ে হাজতখানার ভেতর টয়লেটের জানালার সঙ্গে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। আর মামুনের পরিবার অভিযোগ পুলিশের নির্যাতনেই তার মৃত্যু হয়েছে।
ওই ঘটনার পর মামুনের পরিবার নিজ এলাকা ছেড়ে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নেয়। আজ বৃহস্পতিবার সকালে সেখানে গিয়ে দেখায় যায়, মামুনের বাবা মারা গেছেন। তাকে দাফন করা নিয়েও দেখা দেয় সংকট।
নিহত মামুনের স্ত্রী পিংকি আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামীর শোকে শোকে আমার শশুরও মারা গেল আমাদের কে দেখবে এখন। আমার ছোট ছোট বাচ্ছা এদের নিয়ে কই যাবো এখন এদের দায়িত্ব কে নিব।’
নিহত মামুনের মা মাসুদা বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে মারা যাওয়ায় আমার স্বামী আজ সকালে মারা গেছে। আমাদের আর কেউ নেই। আমরা বাড়িতেও যেতে পারছি না।’
