বিজিবি কর্মকর্তা ফেরদৌস হাসান টিটো বলেন, ‘শুধু ওই এসআই আকবরের জন্য নয়, আমরা সীমান্তে সবসময় সতর্কাবস্থায় থাকি; যেন কোনোক্রমেই সীমান্ত দিয়ে কোনও ধরনের অবৈধ পারাপার না হয়। আমরা সীমান্তে ২৪ ঘণ্টা কাজ করে থাকি। কেউ এই পথ ব্যবহার করে ভারতে যেতে বা ভারত থেকে বাংলাদেশে আসতে পারবে না।’
এদিকে হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, করোনার কারণে যেহেতু হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে দু’দেশের মাঝে যাত্রি পারাপার কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তাই এই পথ ব্যবহার করে কারও ভারতে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই।’
উল্লেখ্য, রায়হান উদ্দিন নামের ওই যুবককে বন্দরবাজার থানা পুলিশ গত শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকালে আটক করে। ওই দিন রাতে ফাঁড়িতে তার ওপর নির্যাতন চালায় পুলিশ এবং তাকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করে। ভোরে অপরিচিত একটি মোবাইল থেকে ছেলের ফোন পায় রায়হানের বাবা। তাতে ওই ফাঁড়িতে তাকে আটকে রেখে ছেড়ে দেওয়ার জন্য টাকা দাবি করা হচ্ছে বলে জানায় রায়হান। বাবাকে টাকা নিয়ে এসে তাকে উদ্ধারের অনুরোধও করে রায়হান। ছেলেকে বাঁচাতে ভোরে তার বাবা টাকা নিয়ে ওই ফাঁড়িতে গেলে তাকে জানানো হয় রায়হান এখন ঘুমাচ্ছে, সকাল ১০টার দিকে আসতে হবে। পরে সকাল ১০টা দিকে গেলে তাকে বলা হয় সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজে যেতে। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন তার ছেলে মারা গেছে। এরপর মৃত ছেলের শরীরে নির্যাতনের ভয়াবহ চিহ্ন দেখতে পান তিনি। রায়হানের হাতের নখগুলোও উপড়ানো ছিল।
