নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বারুয়াখালী ইউনিয়নের মুন্সিনগর এলাকায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় আ. রব নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সরজমিনে গিয়ে মামলার বাদী ভুক্তভোগী শখি বেগমের সাথে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা জেলার নবাগঞ্জ উপজেলার মুন্সীনগর মৌজায় তিনি এবং তার ভাইয়েরা পৈত্রিক ওয়ারিস সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি সি.এস খতিয়ান ৫১, এস.এ খতিয়ান ৩৩, আর.এস খতিয়ান ১১, সি.এস ও এস.এ দাগ ৩৭, আর.এস দাগ ১৬৫, মোট সম্পত্তি ২৯ শতাংশ জায়গা নিয়ে আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা চলমান রয়েছে।
নির্বাহী আদালত নবাবগঞ্জ ঢাকা এর বিজ্ঞ বিচারক মোছা: আকলিমা বেগম উভয় পক্ষকে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় স্থাপনা বা নির্মাণ না করার জন্য আদেশ দেন। কিন্তু বিবাদী আ: রব আদালতের নির্দশ অমান্য করে ক্ষমতা খাটিয়ে জোড়পূর্বক ভাবে মামলাধীন জমিতে পাকা ঘর নির্মাণ করছেন। মামলার বাদী শখি বেগম অভিযোগ করে আরও বলেন, বিবাদীরা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমাদের জায়গা জবরদখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। প্রতিবাদ করায় বিবাদীরা আমার ও পরিবারের সদস্যদের গুম, খুনসহ বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি দেখায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, জেলা জজ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রতিপক্ষরা তাদের বসত বাড়ীতে জোড়পূর্বক পাকা স্থাপনা নির্মাণ করছেন। এ ঘটনায় নবাবগঞ্জ থানায় বারুয়াখালী পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরির্দশক (এইআই) আবু তাহের মিয়া কাছে ভুক্তভোগীরা একাধিকবার অভিযোগ করলেও পুলিশ আদালতের নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে তেমন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগে করেন শখি আক্তার।
এবিষয়ে বিবাদী আ: রবের ছেলে তানভীর হোসেন বলেন, মামলা ২৪ তারিখে খারিজ হয়ে গিয়েছে। আমরা কারো জায়গা দখল করিনি। বারুয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বারি মোল্লা আমাদের কাজ করার অনুমতি দিয়েছেন। আপনাদের কিছু জানার থাকলে তার সাথে যোগাযোগ করেন।
এবিষয়ে বারুয়াখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বারি মোল্লা বলেন, এবিষয়ে মামলা চলমান রয়েছে তা আমার জানা ছিলো না। যদি জায়গা নিয়ে মামলা থাকে তাহলে কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়ে।
এবিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি সিরাজুল ইসলাম শেখ বলেন, বিবাদী আ. রবকে থানায় ডেকে এনে কাজ বন্ধ করার কথা বলে দিয়েছি। তারপরেও যদি আইন অমান্য করে কাজ করে থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এবিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মো. আ. হালিম বলেন, ঘটনাস্থলে শিকারীপাড়া ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েবকে পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করার জন্য বলেদিছি। তারপরেও যদি জোড়পূর্বক কাজ করে থাকে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
