ঢাকার দোহার উপজেলায় সোনালী রানী রাজবংশী (১৯) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের মেঘুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা গৃহবধূর শ্বশুরবাড়ি থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত সোনালী রানী রাজবংশীর স্বামী শ্রীকৃষ্ণ রাজবংশীকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বিয়ের পর থেকে সোনালী রানী রাজবংশীকে তার স্বামীসহ শশুরবাড়ির লোকজন মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতেন। এছাড়া তার স্বামী শ্রীকৃষ্ণ তাকে বারবার মরতে বলতেন। একপর্যায়ে এমন অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে সোমবার রাত আনুমানিক সাড়ে আটটার দিকে ঘরের দরজা বন্ধ করে ফাঁসি দেয় সোনালী। রাত সাড়ে নয়টার দিকে তার স্বামী ঘরের দরজা বন্ধ দেখে সোনালীকে ডাকাডাকি করে। পরে পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙ্গে সোনালীকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের মা সাধনা রাজবংশী বাদী হয়ে দোহার থানায় হত্যা প্ররচণার অভিযোগ দায়ের করেন।
এ বিষয়ে দোহার থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম বলেন, নিহতের লাশ হাসপাতাল থেকে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং তার স্বামীকে আটক করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা প্রেরণ করা হবে। এ বিষয়ে দোহার থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
