কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি): ঢাকার কেরানীগঞ্জের গদার বাগে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে জসিমের খাবার হোটেলে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় হোটেল মালিকের লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। আজ দুপুর আড়াইটার দিকে মডেল থানার কালিন্দী ইউনিয়নের গাদারবাগে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে জসিমের খাবার হোটেলে এই ঘটনা ঘটে। খাবার হোটেল মালিক মোহাম্মদ জসিম জানান সাদিয়া (২০), তার বোন সুমাইয়া (২২)এবং তাদের মায়ের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে তার হোটেলে হামলা চালায় এবং তাকে ও তার হোটেলের কর্মচারীদেরকে অসভ্য ভাষায় গালাগালিজ করতে থাকে।
এ সময় তারা বিক্রির জন্য হোটেলে থাকা মাছ,গরুর মাংস, মুরগির মাংসসহ বিভিন্ন ধরনের তরকারি, ভাত ও তেহারি মাটিতে ফেলে নষ্ট করে ফেলে এবং খাবার রাখার বিভিন্ন আসবাবপত্র, বাসনপত্র ভাঙচুর করে। তাদের হামলার সময় হোটেলে খেতে আসা বিভিন্ন কাস্টমাররা আতঙ্কিত হয়ে হোটেল থেকে না খেয়ে চলে যায়। এক পর্যায়ে ওই তিন হামলাকারী ক্যাশ বাক্স থেকে নগদ ৫০হাজার টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় তার লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন হয়েছে।
হামলাকারীরা নারী হওয়ায় তাদেরকে তিনি ও তার হোটেলের কর্মচারীরা বাধা দিতে পারেননি। তিনি আরো জানান প্রায় তিন বছর পূর্বে তার ছেলে হৃদয় হোসেন প্রেম করে নিজের ইচ্ছায় হামলাকারী সাদিয়াকে বিয়ে করে। বিয়ের তিন মাস পর থেকেই তার ছেলে ও ছেলের স্ত্রী সহ তার শ্বশুর বাড়িতে ঘর জামাই থাকে।
বিয়ের তিন বছর পার হয়ে গেলেও তার ছেলে ও ছেলের স্ত্রীর সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। তবে তিনি লোকমুখে শুনেছেন যে তার ছেলে হৃদয়ের সাথে ছেলের সাথে সাদিয়ার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। তবে কি কারণে সাদিয়া ও তার বোন মা সহ তার হোটেলে এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড কেন ঘটালো তা তার বোধগম্য হচ্ছে না। ঘটনার খবর পেয়ে মডেল থানা পুলিশ দ্রুত এসে পরিদর্শন করেন। তিনি এ বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
