দোহার(ঢাকা)প্রতিনিধি: দোহারে আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে বিরোধকৃত সম্পত্তিতে বালু ভরাট করে ইমারত নির্মাণের চেষ্টা চালিয়ে দখল নিশ্চিতের পায়তারা করছে আব্দুস সালাম গং।এ বিষয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতা ও পুলিশ,প্রশাসনের সরনাপন্ন হয়েও বিচার পাননি বলে জানান প্রতিপক্ষ জমির মালিক রিকশা চালক রহম আলী দেওয়ান ।অবশেষে কোর্টের সরনাপন্ন হয়ে উক্ত সম্পত্তিতে বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,দোহার। এর ফৌ: কা: বিধি ১৪৫ ধারা জারী করেছেন, যাহার কোট পিটিশন মামলা নং-২০৫/২০২০ ইং,প্রসেস নং-৯৫৬ তাং-০৭/১২/২০২০।
শুক্রবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে উপজেলার বটিয়া সড়কের পাশে ডোবা ও নিচু জমি যাহার তফশিল মৌজা-জয়পাড়া,আর এস খতিয়ান ৫১৯,আর এস দাগ-২৩১৭ ও ২৩১৯। এর কাতে মোট নয় শতাংশ জমিতে উভয় পক্ষ স্ব-স্ব অবস্থান বজায় রেখে শান্তি-শৃঙ্খলা রাখতে আদালতের নির্দেশনা রয়েছে।উক্ত নির্দেশনা অমান্য করে বালু ভরাট ও ইমারত নির্মাণ করতেছে প্রভাবশালী দালাল শ্রেনীর লোক আব্দুস সালাম গংয়েরা।
এবিষয়ে মামলার বাদী রহম আলী দেওয়ান জানান,আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে জয়পাড়া বটিয়ায় প্রধান সড়কের পাশে বিরোধকৃত সম্পত্তিতে ভরাট করছেন বিবাদীরা।তিনি আরোও বলেন, আদালতে ফৌজদারি কা:বি:১৪৫ ধারায় মামলা রুজু করেছেন গত সোমবার। ফলে নির্ধারীত জমিতে সব ধরনের কর্মকান্ড বন্ধ রাখতে আদালতের নিদের্শনা রয়েছে। এরপরেও কিভাবে ডোবা ভরাটসহ জমিতে মাটি ফেলা এবং ইমারত নির্মাণ করছে তা আমার বোধগম্য হচ্ছে না। আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে বিবাদীরা জবর-দখল করে তার শেষ সম্বল জমিটুকু ছিনিয়ে নিচ্ছে। বিষয়টিতে প্রয়োজনীয় ভুমিকা রাখতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
এবিষয়ে আব্দুস সালামের সাথে যোগায়োগ করলে তিনি বলেন,ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে মাটি ভরাট করছি এতে আবার দোষের কি? আদালত দলিলপত্র নিয়ে উভয় পক্ষকে আগামী ফেব্রয়ারি মাসের দুই তারিখে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছেন।এরমধ্যে জমিতে মাটি ভরাট ও স্থাপনা করে দখল নিশ্চিত করবো।
এ বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত এস আই মনির হোসেন জানান,আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দখলদার আব্দুস সালামকে আদালতের আদেশ অমান্য করে জমি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণ করতে দেখেছি।এ সময়ে তাদেরকে সকল ধরনের কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে দোহার থানার অফিসার্স ইনচার্জ মো.মোস্তফা কামাল জানান,উভয় পক্ষকেই শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রেখে সকল ধরনের দখল কর্মকান্ড বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।এরপরও যদি কেহ আইন অমান্য করেন,তাহলে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
