নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের হাসির মোড় এলাকায় বিয়ে বাড়ির গায়ে হলুদের নাচ-গানকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে রোহান নামে এক যুবককে আটকে রেখে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। গত শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে দোহার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে ও আহত রোহানের পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসির মোড় এলাকায় হাসানের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাগর তার দুই বন্ধুকে নিয়ে গেলে বিয়ে বাড়ির লোকজনের সাথে কথা-কাটাকাটির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে সাগর সেখান থেকে চলে যান। পরদিন শনিবার সকালে হাসির মোড়ে সাগরকে একা পেয়ে মারধর করেন। পরে সাগরের ভাই রোহানকে মীমাংসার কথা বলে বিয়ে বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে বর হাসান, তার ভাই রুবেল ও আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে রোহানকে একটি কক্ষে আটকে রেখে মারধর করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। এ সময় ওবায়দুল, সিফাত, ইব্রাহিম, কাউসার, আরাফাতসহ আরও কয়েকজন জড়িত ছিলেন বলে পরিবারের দাবি।
রোহানের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেন। পরে তাকে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার কাছে থাকা একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, নগদ ৩০ হাজার টাকা, স্বর্ণের চেইন ও হাতের ব্রেসলেট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছে পরিবার।
এ বিষয়ে রোহানের চাচা বলেন, আমাদের এলাকায় বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ-গান চলছিল। সেই অনুষ্ঠান দেখতে গিয়ে সাগরের সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। পরদিন সাগরকে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা মারধর করে। পরে মীমাংসার কথা বলে আমার বড় ভাতিজা রোহানকে ডেকে নিয়ে হাসির মোড় এলাকার কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ওবায়দুল, সিফাত, ইব্রাহিম, কাউসার, আরাফাত তাকে পিটিয়ে আহত করেন। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু বকর সিদ্দিক জানান, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
