মো: কামাল হোসেন : ঢাকার দোহার উপজেলার বিভিন্ন বাজারে পানির দামে বিক্রি হচ্ছে গরুর দুধ। সারাদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলছে লকডাউন। যে কারনে বন্ধ রয়েছে সব ধরনের সামাজিক এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানসহ সব ধরনের অনুষ্ঠান। এই জন্য কমেছে দুধের চাহিদা, সেই সাথে কমেছে দুধের দামও।
বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দোহারের কার্তিকপুর বাজার, লটাখোলা নতুন বাজার, শিলাকোঠার বাংলাবাজার, বাস্তা বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি দুধ কোনো কোনো বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা দরে। আবার কোনো কোনো বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা দরে।
যেই দুধ গত সপ্তাহে প্রতি কেজি বিক্রি হতো ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে। অনেক সময় দুগ্ধ খামারীরা দুধ বিক্রি ও করতে পারছে না ক্রেতার অভাবে। দুধের দাম কম থাকায় সবচেয়ে বেশি লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন দুগ্ধজাত খামারীরা। খামারীরা গাভীর খাবার ক্রয় করতে হিমসিম খাচ্ছে দুধের দাম কম হওয়ায়।
দুধ বিক্রয় করতে আসা এক খামারী নববাংলা কে জানান, “আমি প্রতিদিন প্রায় ৫৫ থেকে ৬৫ লিটার দুধ বাজারে বিক্রি করি, এখন মিষ্টির দোকানগুলো বন্ধ থাকার কারনে দুধ বিক্রি করতে পারছি না। অনেক অসুবিধায় আছি, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। দুধের দাম কম হওয়ায় দরিদ্র ক্রেতাদের মুখে ফুটছে হাসি আর বিক্রেতাদের মুখে দেখা দিয়েছে বিশন্নতার ছাপ। দরিদ্র শ্রেনীর ক্রেতারা দাম বেশির সময় দুধ কিনতে না পারলে ও এখন দুধ কিনছে নিয়মিত।
