নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ এলাকার মৃত আব্দুল লতিফ মোল্লার ছেলে নান্নু মোল্লা (৬০)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি রোগে ভুগছেন। টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মৃত্যু যন্ত্রণায় দিন কাটছে নান্নু মোল্লার।
জানা যায়, স্কুলে স্কুলে আচার বিক্রি করে কোনো রকমে চলত নান্নু মোল্লার সংসার। স্ত্রী, চার মেয়ে ও দুই ছেলের সংসারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি তিনি। চার মেয়েকে বিয়ে দিলেও ছেলেরা এখনো আয় রোজগার করতে সক্ষম হয়নি। গত দুই বছর আগে নান্নু মোল্লার প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া শুরু হলে ঢাকার শ্যামলীর জাতীয় কিডনি ইনষ্টিটিউটের চিকিৎসক অধ্যাপক নিতাই প্রাদ্রি বিশ্বাসের তত্ত্বাবধানে থেকে চিকিৎসা নেন। ধারদেনা করে এক লাখ টাকা ব্যয় করেন। কিন্তু পরে টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যায়। তখনই চিকিৎসক একটি অপারেশন করার পরামর্শ দেন। কিন্তু যথাসময়ে চিকিৎসা করতে পারেনি বলে এখন তার সমস্যা আরো প্রকট হয়েছে। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি কথাও বলতে পারেন না। লিকুইড জাতীয় খাবার খেয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছেন তিনি। তার এখন প্রয়োজন উন্নত চিকিৎসার। কিন্তু অর্থের অভাবে কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা করাতে না পারায় দিন দিন অবস্থার অবনতি হচ্ছে।
নান্নুর মোল্লার স্ত্রী রওশনারা বেগম জানান, টাকার অভাবে ওষুধপত্র কিনে খাওয়াতে না পারায় দিন দিন অবস্থা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। আপাতত ওষুধ কেনার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থের যোগাড় হলেও কোনো রকম জীবন বাঁচতো। ডাঃ পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার জন্য বললেও সেটিও করতে পারছি না।
তিনি বলেন, আমার বড় ছেলের বয়স ১৪ বছর। রঙের কাজের হেলপার হিসেবে প্রতিদিন ২৫০ টাকা আয় করে। তা দিয়েই কোনো রকমে চলে সংসার। ওষুধ কেনার মতো অর্থ না থাকাতে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেছে।
পরিবারটি নান্নু মোল্লার চিকিৎসার জন্য দেশের সামর্থ্যবান মানুষের সহযোগিতার কামনা করেছেন। সাহায্য পাঠানো যাবে বিকাশ নম্বরে। বিকাশ নম্বর- ০১৮২৯-৫৯২৬৮৬ রওশনারা বেগম।
