মো.কামাল হোসেন: ঢাকার দোহারে বন্যা পরিস্থিতি কারনে চরম গো খাদ্য সংকটে রয়েছে কৃষকরা ও খামারিরা।
গো-খাদ্যের সংকট ও খড়ের চড়া দামের কারণে হিমশিম খেতে হচ্ছে বানভাসি চাষীদের চারিদিকে বন্যার পানি থইথই। ডুবে গেছে সবুজ ঘাস। গাছগুলোতে তেমন লতা-পাতাও নেই। তাই ধানের খড়ের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে তাদের। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই ধানের খড় চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। কোন স্থানে চড়া দামে ও পাওয়া যাচ্ছে না খড়।
বানভাসি চারা বলছেন, গেল বছরের তুলনায় এ বছর ধানের খড় চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এ বছর পানি বেশি হওয়ার কারনে খড়ের দাম বেশি বলে জানিয়েছেন খড় বিক্রেতারা। পানি বেশি হওয়ার কারনে পাওয়া যাচ্ছে না ঘাস কিংবা কমলি ঘাস।
মাহমুদপুরের কৃ্ষক আ.রব জানান, “বাড়ি পানি উঠছে। গরু রাখার জায়গা নাই। রাস্তায় গরু রাখছি। গরুর খাদ্য নাই। টাকা নাই গরুর খাবার কিনার মতো। পানি না কমলে আমাদের গরু বাছানো কষ্ট হয়ে যাবে।
দোহার উপজেলার গরুর খামারী আ.ওহাব জানান, আমার ১১ টা গরু নিয়ে খুব বিপদে আছি গরুর খাবার দিতে পারছি না ঠিকমতো। আগের খবরও শেষ হয়ে গেছে।
বানভাসি কৃষক হারুন নববাংলা কে জানান, আমাদের বাড়িতে গলা পানি। অন্যের বাড়িতে গরু রাখছি। গরুর খাবার নাই। গরু অসুস্থ হয়ে পড়ছে।
কুসুমহাটি ইউনিয়নের কৃষক আ.মাজেদ জানান, আমাগো ই তো খাওন নাই, গরুর খাওন কিনুম কেমনে। গরু বাছুর নিয়ে খুব বিপদে আছি।”
গত বছরের চেয়ে বেশি দামে খড় বিক্রি হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে এক ব্যাবসায়ী বলেন, ‘করোনাকালে পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়াটাও এর দাম বাড়ছে এছাড়া ও পানি বাড়ার কারনে চাহিদা বাড়ছে। তাই দামটা একটু বেশি।
