দোহারের মুকসুদপুরে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

ইমরান খান রাজ : ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার মুকসুদপুর ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রামেই বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্যার পানি বাড়ার সাথেসাথে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অত্র এলাকার হাজারো কর্মজীবী মানুষ। ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে পূর্বচর, মুকসুদপুর বাজার, গোড়াবন, বেথুয়া, ফুলতলা ও শাইনপুকুর এলাকায় কিছু এড়িয়া। মূলত নদী তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে তলিয়ে যায় এসব এলাকা। এমতাবস্থায় তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা ও দৈনন্দিন নানান কাজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

পূর্বচর এলাকার বাসিন্দা মো. মোক্তার বলেন, এবছর ব্যাপক বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমার বাড়িতে কোমর পর্যন্ত পানি উঠে গেছে। বন্যার পানি বাড়ার কারনে ভোগান্তি অনেক বেড়ে গেছে। খাবার রান্না করা, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। এসময় তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদেরকে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহবান জানায়৷

ইতোমধ্যে মুকসুদপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেন মুকসুদপুরের ইউপি চেয়ারম্যান এম.এ হান্নান খান। এসময় তিনি সার্বিক বন্যা পরিস্থিতিতে অত্র এলাকার মানুষের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

বন্যার পানি বৃদ্ধি পেলে দোহারের নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষদের কষ্টের শেষ থাকেনা। বন্যার কারনে নষ্ট হচ্ছে ফসল, পানিতে মরে যাচ্ছে গাছপালা, কর্মজীবী মানুষের কাজে যাওয়ায় ব্যাঘাত ঘটছে। প্রতিবছর বর্ষার সময়ে উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী হাজারো পরিবার কষ্টে দিনযাপন করে। নদী ভাঙ্গনের ফলে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয় অনেক পরিবার। খুব শীঘ্রই বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে এবং স্বাভাবিক হবে এখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাপন সেটাই প্রত্যাশা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *