সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলামের নামে অবৈধ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে, সিরাজদিখানের জৈনসার ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড চম্পকদী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা নুর ইসলামের নামে এ জমি দখল ভোগের অভিযোগ উঠে। পাল্টাপাল্টি দু পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে ১১ সেপ্টেম্বর বুধবার বেলা ১১ টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাব্বির আহমেদ সরেজমিনে এসে তদন্ত করেন।
জানা যায় দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত অবৈধভাবে এই জমি ভোগ দখল করে খাচ্ছেন তিনি একজন মুক্তিযুদ্ধ হওয়াতে মুক্তিযুদ্ধার নাম ভাঙ্গিয়ে এলাকায় ভয়-ভীতি দেখিয়ে নানান মানুষের জমি ভোগ দখল করে খাচ্ছেন ।
তিনি আওয়ামীলীগের ছত্রছায়া থেকে এলাকায় গরিব দুঃখী মানুষের জমি অবৈধ ভাবে দখল করে রেখেছেন, অসহায় গরিব কুরবান আলীর জায়গা ইউপি চেয়ারম্যানের সালিশের মাধ্যমে নুর ইসলামকে কুরবান আলীর জায়গা বুজিয়ে দিতে বলা হয়েছিল কিন্তু দীর্ঘদিন হওয়ার পরও এখনো জায়গা বুঝিয়ে দেন নেই। তার নামে আরো অভিযোগ করেছেন মোঃ জহিরুল, মোঃ আনোয়ার, মোঃ শাজাহান হাওলাদার, এবং নুর ইসলামের নামে তার আপন ভাই ও অভিযোগ করেছেন তার জায়গায় বুঝে দিচ্ছেন না।
নুর ইসলামকে এসব ব্যাপারে গ্রামের মানুষ জিজ্ঞেস করলে তাদেরকে হুমকি ধামকি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধার বড়াই দিয়ে প্রশাসনের ভয়- ভীতি দেখিয়ে রাখতো,আর বলতো আমি মুক্তিযোদ্ধা আমার উপরে কে কথা বলবে। যে কথা বলতে আসবে তার নামে মামলা দিব,জানা যায় তিনি একজন মামলা বাজও বটে।
এলাকায় তার কোন মূল্য নেই তিনি মূল্যহীন ইজ্জত সম্মান বলতে কোন টাই তার নেই তিনি ভূমিদস্য মুক্তিযোদ্ধা অযোগ্য মুক্তিযোদ্ধা ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামীলীগের দালাল মুক্তিযোদ্ধা এতদিন তিনি আওয়ামী লীগের ছত্রছায়ায় অন্যায় ভাবে কাজ করে গেছেন, সিরাজদিখানে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে তার সদস্য সচিব নুর ইসলাম এই কমিটি থেকে তাকে বয়কট করতে চায় সাধারণ জনগণ ভুয়া সদস্য সচিব তিনি এসব শ্লোগান শোনা যাচ্ছে এলাকার জনগণের মুখ থেকে।
লিখিত অভিযোগ করলে ১সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে এসিল্যান্ড সাইফুল ইসলাম নিজে তদন্তে আসেন এসে দেখেন কাগজপত্র অনুযায়ী নুর ইসলাম জমি পাবে না পাবে হেফাজত আলি দেওয়ান ও সুলতান বেপারি এই জমির মালিক হবে,এ সময় ওয়ারিশগণরা সবাই উপস্থিত ছিলেন।
এসিল্যান্ড তাৎক্ষণিক উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে বলেন আপনারা শুনেন আমি ইউনু স্যারের সাথে পরামর্শ করে ফাইনাল সিদ্ধান্ত দিয়ে দেব,তখন এসিল্যান্ডের সাথে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মিজান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আব্দুল মতিন হাওলাদার সাবেক চেয়ারম্যান , রফিকুল ইসলাম দুদু চেয়ারম্যান , আব্দুল হালিম টিয়া, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সুরুজ আলী, আমির হোসেন ভান্ডারী, নজরুল ইসলাম মোল্লা, আনিস তালুকদার, সাংবাদিক হাবিব হাসান, জৈনসার ইউপি ভূমি কর্মকর্তা মোঃ মিজান, খালেক দেওয়ান, নাসির সেখ, শেখ রুহুল, শেখ আমিন, দেলোয়ার দেওয়ান, মামুন দেওয়ান, রাসেল দেওয়ান, ফারুক দেওয়ান, সোরাব শেখ, মোঃ আদিল শেখ, বারেক মিয়া,মোঃ সাগর, পাপ্পু দেওয়ান, বাচ্চু মিয়া,জামাই সোরহাব,জহুরুল হালদার,কুরবান আলী,মোঃ নয়ন,মোঃ মুক্তার, রবি দাস, প্রমুখ্য।
এ ছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার আশেপাশের নারী পুরুষ মিলে প্রায় দেড় শতাধিক লোকজনের উপস্থিত লক্ষ্য করা যায়।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাব্বর আহমেদ বলেন এটি সরকারি সম্পত্তি সরকার সিদ্ধান্ত নিবে এ সম্পত্তি কাকে দিবে।
