সিংগাইরে রেড জোনে চলছে বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ

মো. রকিবুল হাসান বিশ্বাস (মানিকগঞ্জ) : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা পরিষদের অদূরে রেড জোন এলাকার লকডাউনকে উপেক্ষা করে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ চলছে পুরোদমে। এ যেন অন্য রকম লুকোচুরি। লকডাউনের কথা জেনেও, না জানার বান করে র্নিচিন্তায় কাজ করছে শ্রমিকরা। বাহিরে থেকে নেই কোনো , বোঝার উপায়।

জানা যায়, উপজেলা পরিষদের অদূরে প্রানী সম্পদ অফিসের পশ্চিম পাশে সিংগাইর পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ড আঙ্গারিয়া মহল্লায় বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ চলছে । ভবনের মালিক ওই মহল্লার আলী মুউদ্দিনের পুত্র মো. ফরিদ হোসেন। সিংগাইর পৌর এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হওয়ায় গত সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা থেকে এ এলাকাকে লকডাউন ঘোষনা দেয় জেলা প্রশাসক। তারই ধারাবাহিকতায় এ লকডাউনকে কার্যকর করতে উপজেলা প্রশাসন দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালত করে জরিমানাসহ সকালের বাজারঘাট বন্ধ করে দিয়েছেন। এমনকি ঘর থেকে লোকজন যেন অযথা বের হতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখছেন প্রশাসন। এত কিছু করার পর কিভাবে উপজেলা প্রশাসনের অদূরে এ নির্মাণ কাজ চলছে। এ নিয়ে সাধারন জনগনের মধ্যে চলছে কানাঘষা।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজশাহী এলাকার বেশ কিছু রাজমিস্ত্রী এ বিল্ডিংয়ের নির্মাণ কাজ করছে পুরোদমে। তার মধ্যে শিশু শ্রমিকও রয়েছে। এতে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুঁকিতে রয়েছে এ মহল্লা। যেখানে শিশু শ্রমিক দিয়ে কাজ করানো দন্ডনীয় অপরাধ। সেখানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ৬তলা ভবনে রাজমিস্ত্রীর জুগালি হিসেবে কাজ করানো হচ্ছে শান্ত ও রতন নামে ২জন শিশু শ্রমিককে।

রাজমিস্ত্রী ডালিম বলেন, লকডাউন চলছে আমরা জানি। কাজ না করলে আমরা খামু কি। তাই বাধ্য হয়ে কাজ করছি। আমাদের এ কাজ করাতে কি সমস্যা হবে।
ভবন মালিক মো.ফরিদ হোসেন অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, আইন আসলে সবার জন্য সমান। আইন মেনেই চলা উচিৎ। আমি কন্ট্রাক্টরকে বলছি ছোট শ্রমিক দিয়ে কাজ না করার জন্য।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, লকডাউন চলাকালিন সময় সরকারি স্থাপনা ছাড়া ব্যক্তিগত স্থাপনার কাজ কোনোভাবেই করতে পারবে না। যদি কেউ করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *