সালমান খানের পরিবার এলপিএলে দল কিনল

গল গ্ল্যাডিয়েটরস, কলম্বো কিংস, ক্যান্ডি তাস্কার্স, ডাম্বুলা হকস ও জাফনা স্ট্যালিয়নস- এই পাঁচ দলের অংশগ্রহণে আগামী ২১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলেছে লংকান প্রিমিয়ার লিগের (এলপিএল) প্রথম আসর। সে লক্ষ্যে গত ১৯ অক্টোবর (সোমবার) হয় এলপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফট।

যেখানে বিশজনের বেশি বিদেশি খেলোয়াড়কে কিনে নিয়েছে এই পাঁচ দল। আর এবার এলপিএলে যুক্ত হলো বলিউডের বড় তারকা সালমান খানের নাম। এলপিএলের পাঁচ দলের অন্যতম ক্যান্ডি তাস্কার্সের মালিকা কিনে নিয়েছেন সালমান খানের ছোট ভাই সোহাইল খান ও তাদের বাবা সেলিম খান।

সালমানের মতো সোহাইলও বলিউডের অভিনেতা এবং তাদের বাবা সেলিম খান স্বনামধন্য লেখক। তাদের দুজনের যৌথ প্রতিষ্ঠান ‘সোহাইল খান ইন্টারন্যাশনাল এলএলপি’ই কিনে নিয়েছে ক্যান্ডি তাস্কার্সের মালিকানা। ভবিষ্যতে এলপিএলের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখায় দলটি কিনে নিয়েছে সালমান খানের পরিবার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়াতে সোহাইল খান বলেছেন, ‘আমাদের দলে যেসব খেলোয়াড় আছে, সার্বিকভাবে লিগের অবস্থান এবং সমর্থকদের যে প্যাশন রয়েছে, তাতে আমরা অনেক সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছি।’ এসময় সোহাইল খান নিশ্চিত করেছেন যে, এলপিএলে বেশ কিছু ম্যাচে উপস্থিত থাকবেন সালমান খান।

প্লেয়ার্স ড্রাফটে ক্যান্ডি তাস্কার্স দলে ভিড়িয়েছে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের রাজা ক্রিস গেইলকে। যাকে দলে পেয়ে যারপরনাই খুশি সোহাইল খান। এছাড়াও দলে আছে কুশল পেরেরা, কুশল মেন্ডিস, ওয়াহাব রিয়াজ, লিয়াম প্লাংকেটদের মতো খেলোয়াড়রা। যদিও তাদের পাওয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক তথ্য নেই, তবু দলে নিতে পেরে আশাবাদী সোহাইল।

তার ভাষ্য, ‘গেইল অবশ্যই একজন বস। তবে দল হিসেবেও আমরা বেশ ভালো। কুশল পেরেরা আমাদের স্থানীয় আইকন খেলোয়াড়। এছাড়া আমাদের দলে লিয়াম প্লাংকেট, ওয়াহাব রিয়াজ, কুশল মেন্ডিস, নুয়ান প্রদীপের মতো খেলোয়াড়রা আছে। যা কি না অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের দারুণ একটা ভারসাম্য সৃষ্টি করেছে।’

ক্যান্ডি তাস্কার্স স্কোয়াড
ক্রিস গেইল, কুশল পেরেরা, লিয়াম প্লাংকেট, ওয়াহাব রিয়াজ, কুশল মেন্ডিস, নুয়ান প্রদীপ, সেকুগে প্রসন্ন, আসেলা গুনারাত্নে, নবীন উল হক, কামিন্দু মেন্ডিস, দিলরুয়ান পেরেরা, প্রিয়ামল পেরেরা, কাভিশকা আনজুলা, লাসিথ এম্বুলদেনিয়া, লাহিরু সামারাকুন, নিশান ফার্নান্দো, চামিকা এডিরিসিংহে এবং ইশান জয়ারত্নে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *