এমএ কাইয়ুম মাইজভান্ডারী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে মোঃ আজমির(৪০)নামে একজনকে ডান চোখে স্ব-জোড়ের ঘুষি মেরে গুরুত্বর জখম করা হয়েছে। সোমবার রাত ৯ টার দিকে উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের বাড়ৈগাঁও ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের গেইটে এই ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা গুরুত্বর আহত অবস্থায় আজমিরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করেন। এব্যাপারে আজমির বাদী হয়ে হুমায়ুন সর্দারকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, বাড়ৈগাঁও স্কুল গেইটে আহত যুবক আজমির এর মুদিদোকানের পাশে শাহজাহানের একটি অটো গ্যারেজ আছে। প্রতিদিন মাগরিবের সময় শাহজাহান তার মাল্টিপারপাসের টাকা উত্তোলনের জন্য বাড়ৈগাঁও যায়, আসেন রাত ৯টার দিকে। এসময় ঐ গ্যারেজের অটোচালকরা জমার টাকা আজমির এর কাছে দিয়ে যায়। দুইদিন যাবৎ আজমির তার মুদি দোকানটি লিটন নামে একজনের কাছে বিক্রি করেন দেওয়ায় অটোচালকরা লিটনের কাছে জমার টাকা রেখে যেত। সোমবার রাতে অটোগ্যারেজ মালিক শাহজাহান কাজ সেরে গ্যারেজে আসলে লিটনের কাছে অটোচালকদের রাকা জমার টাকা শাহজাহানকে বুঝিয়ে দেন। এসময় তথায় উপস্থিত ঐ এলাকার মৃত গৈজুদ্দিন সর্দারের ছেলে হুমায়ুন সর্দার গ্যারেজ মালিক শাহজাহানকে বলে এইবার ঠিক আছে তোমার টাকা আর খোয়া যাবে না বলায় আজমির দোকানদার লিটনকে উদ্দেশ্য বলে আগেপরে কি টাকা খোয়া গেছে। এই কথা বলার সাথে সাথে হুমায়ুন সর্দার উত্তেজিত হয়ে আস্মিত
আজমিরের ডান চোখে স্বজোড়ে ঘুষি মেরে গুরুত্বর জখম করে এবং অকর্থ্যা ভাষায় গালিগালাজ করে আরো মারার জন্য লাঠি খোঁজতে থাকে। আজমিরের ডাকচিৎকারে শাহজাহান, লিটনসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে আমজিরকে রক্ষা করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
এব্যাপারে অটো গ্যারেজ মালিক শাহজাহান জানান, আমি নিজেই অটোচালকদের বলতাম আমার অনুপস্থিতিতে আজমিরের কাছে জমার টাকা রাখতে। কিন্তু আজমির আমার টাকা মেরে দিয়েছে এমন কোন কথা আমি কখন হুমায়ুন সর্দারকে বলি না। উনি গায়ে পড়ে আজমিরকে মারধর করেছে।
অভিযুক্ত হুমায়ুন সর্দারের চাচাতো বোন স্থানীয় নারী ইউপি সদস্য পারভীন বেগম বলেন, এঘটনা আমি শুনেছি। আমি অসুস্থ্য আছি। সুস্থ হয়ে পুরুষ মেম্বার রানাকে নিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করে দিব।
শ্রীনগর থানার ডিউটি অফিসার এএসআই ওবায়দুল বলেন, এব্যাপারে একটি অভিযোগ পেয়েছি। ওসি স্যার যে অফিসারকে তদন্তের ভার দিবেন তিনি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।
