ডেস্ক রিপোর্ট : করোনার মধ্যে চলতি বছর সবচেয়ে দ্রুতগতিতে সম্পদ বাড়ছে এলন মাস্কের। এর মধ্যে রাতারাতি ১২শ’ কোটি ডলার আয়ের রেকর্ডও করেছেন মার্কিন এ উদ্যোক্তা। যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারের শীর্ষ ৫০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকাতে স্থান করে নিয়েছে এলন মাস্কের ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা।
করোনা মহামারিতে বিশ্বের বেশির ভাগ ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান আঙুল ফুলে কলাগাছও হয়েছে। সবচেয়ে দ্রুতগতিতে ব্যবসা ও সম্পদ বৃদ্ধি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে এগিয়ে আছে এলন মাস্কের মালিকানাধীন টেসলা ও স্পেস এক্স।
টেসলা মূলত পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি তৈরি করে। মার্কিন শেয়ারবাজারে এক বছরের ব্যবধানে টেসলার শেয়ারের দাম বেড়েছে ৭০০ শতাংশ! টানা পাঁচ প্রান্তিকে মুনাফায় প্রবৃদ্ধি থাকায় টেসলা যুক্তরাষ্ট্রের পুজিবাজারের শীর্ষ ৫০০ প্রতিষ্ঠানের তালিকা এস অ্যান্ড পি৫০০ এ স্থান করে নিয়েছে। পেপাল, পেপসিকো, এইচপি, মাইক্রোসফট, আমাজন, শেভরন করপোরেশন, সিসকো সিস্টেমস, ইবে, মেটলাইফ ইন্সুরেন্স, নাইকি, ফাইজারের মতো প্রতিষ্ঠানও আছে এই তালিকায়।
মার্কিন পুঁজিবাজার কর্তৃপক্ষ টেসলা কে এস অ্যান্ড পি-৫০০ তে যুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া পর থেকেই হু হু করে বাড়ে শেয়ারটির দাম। একরাতের ব্যবধানে ইলন মাস্কের সম্পদ বাড়ে ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার। কারণ মাস্ক টেসলার সিইও হিসেবে বেতন নেন না, বরং শেয়ারের মালিকানাকে গুরুত্ব দিয়েছেন।
নভেম্বরের মাঝামাঝি বিশ্বের শীর্ষ ধনীর তালিকায় ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা জাকারবার্গকে পেছনে ফেলে তৃতীয় অবস্থানে উঠে আসেন এলন মাস্ক। বর্তমানে টেসলা ও স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা মাস্ক মাইক্রোসফটের মালিক বিলগেটসকে টপকে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনীর আসনে।
চলতি বছরের শুরুতে তিনি ছিলেন এ তালিকায় ৩৫তম। চলতি বছরের জুনের শেষ দিকেই গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটাকে সম্পদ মূল্যে পেছনে ফেলে দেয় টেসলা। মাস্কের মোট সম্পদের তিন-চতুর্থাংশ টেসলা থেকেই এসেছে। যার সম্পদমূল্য ৫০ হাজার কোটি ডলার। এটি তার আরেক কোম্পানি স্পেস এক্স এর চার গুণ বড়।
সম্প্রতি প্রকাশিত ‘ব্লুমবার্গ বিলিওনেয়ার ইনডেক্স’-এ প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, টেসলার প্রতিষ্ঠাতা এলন মাস্কের মোট সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৭৯০ কোটি ডলার। যেখানে বিল গেটসের সম্পদের পরিমাণ ১২ হাজার ৭৭০ কোটি ডলার। এ বছরই মাস্কের সম্পদ বেড়েছে ১০ হাজার ৩০ কোটি ডলার।
