নিজস্ব প্রতিবেদক: দোহার উপজেলার পদ্মা নদীতে পুলিশের পরিচয়ে ইলিশ মাছ ধরার অভিযানে গিয়ে স্থানীর জনতার ধাওয়া খেলেন আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ। তিনি উপজেলার নয়াবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন বলে যানা যায়। এ ঘটনায় দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হলে মঙ্গলবার উপজেলা মাসিক আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়। জানা যায়, গত সোমবার রাত দেড়টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ তার এক সঙ্গীকে উপজেলার নয়াবাড়ি বাহ্রা ঘাটে গিয়ে পুলিশের পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক একটি ট্রলার নিয়ে পদ্মায় অভিযানে যায়। এসময় ট্রলারের মালিক শেখ রহম ও চালক মিলনকে জোরপূর্বক নিয়ে যায় তিনি । অভিযানে গিয়ে দুইটি নৌকায় তল্লাশি চালান আবুল কালাম আজাদ । পদ্মার একটি চরে ট্রলারের মালিক শেখ রহম প্রকৃতির ডাকে নামলে স্থানীয়রা ট্রলারটিকে ধাওয়া করে। এ সময় শেখ রহমকে রেখেই পালিয়ে আসে আবুল কালাম আজাদ ও তার সঙ্গী। এঘটনায় ২০ অক্টবর দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এএফএম ফিরোজ মাহমুদের বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ট্রলারের মালিক শেখ রহম ও চালক। এদিকে এমন ঘটনায় জরিতদের আইনের আওতায় এনে বিচার করার দাবি জানান।
এ বিষয়ে দোহার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এএফএম ফিরোজ মাহমুদ বলেন এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলী আহসান খোকন শিকদার বলেন , আওয়ামী লীগ অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না। আওয়ামী লীগে কোন দুষ্টু লোকের স্থান নেই। যারা এ ধরনের কর্মকান্ড করে তাদের স্থান আওয়ামী লীগে নেই। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদ বলেন,আমি রাত দেড়টার সময় পদ্মা নদীতে হাওয়া খেতে গিয়েছিলাম।
