ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় খানাখন্দে রাস্তার বেহালদশায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছে গেছে। নিত্য দিনে চলাচলে পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড কাঁঠালিঘাটা চান্দার ভিটা হতে মাঝিরকান্দা পর্যন্ত রাস্তাটি চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার সাধারণ জনগণকে।
জানা যায়, এ রাস্তার কাছাকাছি রয়েছে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও বাজার। যেকারণে প্রতিনিয়ত রাস্তাটি দিয়ে সাধারণ জনগণ থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজ, মাদরাসার শিক্ষার্থীরা চলাচল করেন। এছাড়াও এ রাস্তা দিয়ে স্থানীয়রা নবাবগঞ্জ, বাঘমারা, পালামগঞ্জ বাজারসহ দোহার উপজেলার প্রাণকেন্দ্র নামে পরিচিত জয়পাড়া বাজারে যাতায়াত করেন। বেশ কয়েকটি এলাকার সংযোগ সড়কও এটি। রাস্তাটিতে প্রতি বছর বর্ষা এলেই এ দুর্ভোগ আরো বেড়ে যায় বলে জানিয়েছেন পথচারী ও স্থানীয়রা। এবার বর্ষায় এ রাস্তার পিচ উঠে নিচের মাটি বেরিয়ে বড় বড় গর্তের তৈরি হয়েছে। এতে রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় প্রতিদিনই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং ভারী যানবাহন আটকে পড়ছে।
স্থানীয় এক ইজিবাইক চালক মো. ফিরোজ বলেন, আমি এই রাস্তায় গাড়ি চালাই। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে রাস্তার এমন বেহালদশা হওয়ায় যাত্রীরা অস্বস্তিবোধ করেন। পরে গাড়ি থেকে নেমে যান। আবার কেউ এই রাস্তার কথা শুনলে গাড়িতে উঠতেই চান না। এ রাস্তা দিয়ে কোনো অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে ভয় পান রোগীর পরিবার। যেখানে ১০ মিনিটে মাঝিরকান্দা পৌছানোর কথা, কিন্তু সেখানে এখন পৌছাতে হচ্ছে প্রায় ৩০ মিনিটের অধিক সময়ে। তাই যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটি সংস্কার করা দরকার।
মাঝিরকান্দার বাসিন্দা ব্যবসায়ী মো. উজ্জল মাহমুদ বলেন, রাস্তাটি অনেক দিন যাবত খারাপ অবস্থায় রয়েছে। সাধারণ মানুষসহ স্কুল, কলেজ, মাদরাসার ছাত্র ছাত্রী ও অসুস্থ রোগীদের চলাচলে অনেক দূর্ভোগ পোহাতে হয়। আমরা চাই যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারা যেন রাস্তাটির দিকে নজর দেয়।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল করিম জানান, ২০২৫-২৬ সালের অর্থ বছরে রাজস্ব খাতে প্রকল্পের এ রাস্তাটি প্রায় ১ কোটি ২৭ লাখ টাকা বাজেটের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। হয়তো বাজেটে কিছুটা কমবেশি হতে পারে। তবে আশাবাদী আগামী মিটিংয়ে অনুমোদন পাব এবং খুব দ্রুতই রাস্তাটির কাজ শুরু করা হবে।
