স্টাফ রিপোর্টার: ইছামতী নদী দখল করে আলছে ভবন নির্মাণের কাজ’ এমন সংবাদ ‘নব বাংলাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হয়৷ সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা প্রশাসনের৷
পরপরই বৃহস্পতিবার (২০ মে) দুপুর আড়াইটার দিকে ঐ এলাকায় গিয়ে জায়গাটি যাচাই-বাছাই করে দেখে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অরুণ কৃষ্ণ পাল। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়৷ এছাড়া পরবর্তীতে যেন এই সরকারি জায়গা কোনভাবেই দখল না করেন এই ব্যাপারে পাশে মালিকানা জায়গার মালিক প্রবাসী লুৎফরের বড়ভাই মহিউদ্দিনকে সর্তক করে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট৷
অন্যদিকে সরকারি জায়গা উচ্ছেদে করায় উপজেলা প্রশাসন ও এসিল্যান্ডকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ তারা বলেন, এখানে একটি সরকারি ঘাটলা রয়েছে৷ যেভাবে দেয়াল দিয়ে ভবন নির্মাণের শুরু করছিলেন, তাতে গোসল করতে অনেকটা সমস্যায় পড়তে হত৷ স্থানীয়রা তাদের বারবার নিষেধ করলেও কোন আমলে নেয়নি৷ উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজস্ট্রেট এসে ভেঙে দেওয়ায় আমরা প্রশাসন ও এসিল্যান্ড মহোদয়কে ধন্যবাদ জানাই৷
অরুণ কৃষ্ণ পাল বলেন, সরকারি সম্পদ রক্ষা করাই আমাদের কাজ৷ স্থানীয়দের দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে জায়গাটি যাচাই-বাছাই করে দেখে সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করে উদ্ধার করা হয়৷
তিনি আরো বলেন, সরকারি জায়গায় অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ করায় তৎক্ষণিক এই স্থাপনা ভেঙ্গে দেয়া হয়৷ নবাবগঞ্জে এই অভিযান চলমান থাকবে।
