নবাবগঞ্জে অপরিকল্পিত বৃক্ষ নিধন

দোহার নবাবগঞ্জ ( ঢাকা) প্রতিনিধি: ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঝির কান্দা বান্দুরা  এলজিইডি সড়কের উভয় পাশে পরিকল্পত ভাবে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন ধরনের গাছ লাগানো হয়েছিল।  ১৯ মার্চ দুপুরে নবাবগঞ্জ উপজেলার মাঝির কান্দা বান্দুরা এলজিইডি সড়কের গাছ কাটতে দেখা যায়। ব্যাক্তি স্বার্থে কয়েক টি গাছ বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই রাস্তায় অপরিকল্পিত বৃক্ষ নিধন চলছে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় ঢাকা বনবিভাগের অধীনে এই রাস্তায় প্রায়  কয়েক শতাধিক একই বয়সে গাছ থাকলেও মাত্র ১৪ টি ইউক্যালিপটাস গাছ টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রয় করেছে ঢাকা বন বিভাগ। এলাকার মানুষ জানিয়েছে যদি বৃক্ষ কাটতে হয় তবে রাস্তার উভয় পারের কয়েক শতাধিক গাছ রয়েছে।  একই সমবয়সী কয়েক শতাধিক ইউক্যালিপটাস গাছ রয়েছে।  কিন্তু কার স্বার্থে এই মাঝখান থেকে শুধুমাত্র ১৪ টি বৃহদায়তকার  পানির মূল্যের বিক্রয় করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে । এ ব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক নজরুল ইসলাম সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি ১৪ টি ইউক্লিপটাস গাছ ২ লাখ ৮১ হাজার ৫৪৪ টাকা ৭৫ পয়সা মূল্যে সামাজিক বনায়ন ঢাকা বন বিভাগের অফিসের অধীনে টেন্ডারের মাধ্যমে ক্রয় করেছি।
এ ব্যাপারে নবাবগঞ্জ উপজেলার বন কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি ।
তবে বন নিরাপত্তা কর্মী শফিকুল ইসলাম তিনি জানান আমি তেমন কিছু জানি না পূববর্তী স্যাররা কিভাবে এটা টেন্ডারের প্রক্রিয়া করেছে তারাই বলতে পারবেন।  এ ব্যাপারে ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল ইসলামের মোবাইল ফোন ০১৭১০৯৩৪৩৬৩ নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলো সংযোগ দেওয়া সম্ভব হয়নি ।
বাংলাদেশ থান্ডারস এয়োরনেস ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক রাশিম মোল্লা বলেন যেখানে সরকার পরিকল্পিত নগরায়নের পাশাপাশি সবুজ বনায়ন করছে। বৃক্ষ রাজির মধ্য দিয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় জলবায়ু হুমকির থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে । সেখানে কিভাবে তিন কিলোমিটার রাস্তায় বনায়ন থাকার পরও নির্দিষ্ট ১৪ টি গাছ বিক্রয় করল বোধগম্য নয়।  তবে যদি বৃক্ষ কাটতে হয় তবে মাঝিরকান্দা থেকে বান্দুরা পর্যন্ত এই তিন কিলোমিটার সড়কের একই সমবয়সী অন্যান্য গাছ রয়েছে।  সেগুলো  বিক্রি না করে শুধুমাত্র অধিক মুনাফার জন্য পরিবেশ বিপর্যয় করে মাঝখান থেকে শুধু ১৪ টি গাছ বিক্রি করল এটা কোন যুক্তি হতে পারে না । এরকম ভাবে বৃক্ষ  না কাটার আহ্বান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *