দোহারে আঞ্চলিক সেতু নির্মাণ, বিকল্প ব্যবস্থা না করায় যাতায়াতের ভোগান্তি

মো. সুজন হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি: ঢাকার দোহার উপজেলার রাইপাড়া ইউনিয়ন ৭,৮ নং ওয়ার্ড অধ্যাষিত অঞ্চলে নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় এলজিইডি বা স্থানীয় সরকার প্রকৌশরী উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে শতভাগ নিশ্চিত করেন স্থানীয় সরকার। প্রায় ১ কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০ মিটার সেতু নির্মাণ কাজের দায়িত্ব পান হানিফ এন্টারপ্রাইজ কর্ণধার আবু তাহের। সেতুটির পাশ হবে ১৮ ফুট এবং লম্বা হবে ৫৬ ফুট। এর ফলে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে রাইপাড়া ইউনিয়নবাসী। উপকৃত হবে দোহার উপজেলা হাজার হাজার লোকজন। এই সেতু নির্মাণ সম্পূর্ণ হলে শত বছরের দূর্ভোগ থেকে মুক্তি পাবে এই অঞ্চলের মানুষজন।

অপরদিকে কিছুটা বিড়ম্বনার স্বীকার হচ্ছেন সাধারণ যাতায়াতকারী। পুরাতন সেতুর ভাঙ্গার পূর্বেই বিকল্প রাস্তা তৈরি করে নেওয়ার নিয়ম থাকলেও, এখানে তার ভিন্ন চিত্র দেখাযায়। ফলে যাতায়াত সংকটে পয়েছেন স্থানীয় লোকজন। জরুরি প্রয়োজনীয় কাজেও তাদের অনেকটা পথ ঘুরে আসতে হয়। এর ফলে অর্থনৈতিক ও শাররিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন গ্রামবাসী। তাদের অভিযোগ ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানতাদের অধিক লাভের কারনে, বিকল্প তৈরিতে ভিন্ন কৌশল করেছেন। স্থানীয় গ্রামবাসীরদের ভোগান্তি রোধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য রাইপাড়া ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ জানান স্থানীয় লোকজন।

এসময় ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান হানিফ এন্টারপ্রাইজ দায়িত্বরত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রানা জানান, বিকল্প রাস্তা হিসেবে পূর্বে একটি ইটের রাস্তা রয়েছে। তবে আমরা বিকল্প রাস্তা তৈরি করতে পারতাম গাছের প্রতিবন্ধকতায় ও খালের গভীরতা বেশি হলে এখনও করতে পারিনি। এবং দ্রুত কাজ শেষ করতে হবে বলে বিকল্প রাস্তার কাজটা করা হয়নি। যদি সেতুর রাস্তার পাশের গাছ কেটে দেয় তাহলে অস্থায়ী যাতায়াতের রাস্তা করবো। যদি অন্যকোন সমস্যা না হয়, তাহলে সময় ৬ মাস পেলেও ৩ মাসের মধ্যে সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এই কর্মকর্তা।

এবিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো, আমজাদ হোসেন জানান, দীর্ঘ চেষ্টা করে দোহার উপজেলা দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো আলমগীর হোসেন এর চেষ্টায় এই সেতুটির কাজ শুরু হয়েছে এবং সম্পূর্ণ হলে ৭/৮ নং ওয়ার্ডবাসী সহ দোহারে হাজার হাজর মানুষ উপকৃত হবে। কেননা জযপাড়া ওয়ান ব্যাংক হতে পাশ্ববর্তী উপজেলা নবাবগঞ্জ যেতে সময় অনেক কমে যাবে। এই সেতুর সংকটে মালবাহী ট্রাক ও বাস আসতে পারতো না। অনেকটা পথ ঘুরে আসতে হতো। বর্তমানে এই সেতু সম্পূর্ণ হলে অর্থ ও যাতায়াত দুটিই সাশ্রয়ী হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *