নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌন্দর্যবর্ধন ও ত্বকের যত্ন ব্যবহৃত নামি-দামি ব্র্যান্ডের কসমেটিকসের নকল পণ্যের বিরুদ্ধে অভিযানে মাঠে নেমেছে র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা মার্কেটের ২য় তলায় নীল ছায়া এন্টারপ্রাইজ ও জয়পাড়া খাড়াকান্দা এলাকায় মা এন্টারপ্রাইজে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসময় নকল কসমেটিকস ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য সরবরাহের অভিযোগে দুটি প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিকার আইনে দুই লক্ষ টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। র্যাব-১১ সদস্যদের সহায়তায় অভিযানের নেতৃত্ব দেন দোহার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ.এফ.এম. ফিরোজ মাহমুদ।
এসময় নীল ছাঁয়া এন্টারপ্রাইজ ও মা এন্টারপ্রাইজের গোডাউন থেকে প্রায় ৫০ ধরনের নকল কসমেটিকস ও মেয়াদ উত্তীর্ণ পণ্য জব্দ করা হয়।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, নকল ও মেয়াদ উত্তীর্ণ কসমেটিকস্, হারবাল ও ক্লিনিক্যাল পণ্য মজুদ করে বিক্রয় করার অভিযোগে র্যাব-১১ এর র্যাবের স্ক্রোয়াড্রোন লিডার এডি মনিরুল আলমের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল অভিযান পরিচালনায় নামে। অভিযানে বিপুল পরিমাণ নকল পণ্যের সন্ধান পাই আমরা। মানুষের মধ্যে সৌন্দর্যবর্ধন ও ত্বকের যত্ন সম্পর্কিত পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। মানুষের এই চাহিদাকে কাজে লাগিয়ে নকল কসমেটিকস পণ্যে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। জব্দ করা প্রায় সবগুলো পণ্য নকল ও অবৈধ। এসব পন্য মজুদ ও বাজারজাত করার দায়ে নীল ছায়া এন্টারপ্রাইজের মালিক আঃ রহমান ও মা এন্টারপ্রাইজের মালিক আমজাদ হোসেনকে ভোক্তা অধিকার আইনে এক লক্ষ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
র্যাবের স্ক্রোয়াড্রোন লিডারএডি মনিরুল আলম বলেন, এসব রঙ ফর্সাকারী ক্রীম মানুষের শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। এগুলোতে হাইড্রোকুইনোন ও মার্কারি বা পারদ ব্যবহার করা হয়। এগুলো মানবদেহের ক্ষতি করে। এসব রাসায়নিকের ব্যবহারের কারণে ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। ভেজাল ও নকল পণ্য মজুদ ও সরবরাহকারী ও বিক্রয়দাতাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
