নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার দোহার উপজেলায় কোভিড-১৯–এর উপসর্গ নিয়ে মো. তরিকুল ইসলাম (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয় । আজ শুক্রবার (১২ জুন) সকালে জানাযা শেষে দাফন কাফন করলো ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ দোহার শাখার স্বেচ্ছাসেবক টিম । মৃত মো. তরিকুল ইসলাম উপজেলার সুতারপাড়া গ্রামের মরহুম সিরাজুল ইসলামের ছেলে । সে ঢাকায় কাজ করতেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয় ও পরিবার সূত্রে যায়, মো. তরিকুল ইসলাম ১০-১২ দিন ধরে সর্দিকাশি ও শ্বাস কষ্টে ভুগছিলেন পরিবারকে না জানিয়ে তিনি প্রাথমিক চিকিৎসা নিচ্ছিলেন । তিনি তার অসুস্থতার কথা গোপন রেখে তার শ্বশুরবাড়ি দোহার ঘাটা একালাকায় বেড়াতে যান এবং সেখানেও অসুস্থ অনুভব করলে মো. তরিকুল তার স্ত্রীকে নিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসেন এবং তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা অন্যথায় চলে যায় এবং তার শারীরিক অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে গেলে তাকে তার পরিবার ১১ জুন ঢাকা একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় । তার লাশ ঢাকা থেকে গ্রামে আনা হলে সুতারপাড়া কবরস্থানে মাটি দিতে বাঁধা প্রদান করে কবরস্থান কর্তৃপক্ষ। পরে তাকে আলামিন বাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়। মৃত ব্যক্তির করোনার উপসর্গ থাকায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নির্দেশে করোনা পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের দোহার থানা শাখার স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্য মাওলানা জোবায়ের আহমেদ সাকী জানান, আমাদের টিমের সদস্যদের নিয়ে প্রচন্ড বৃষ্টি উপেক্ষা করে আমরা মৃত ব্যাক্তির গোসল, জানাযা ও দাফনের কাজ সম্পূর্ণ করি এ নিয়ে দোহারে করোনা উপসর্গ নিয়ে ৩ জনের দাফনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
দোহারউপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.জসিম উদ্দিনের সহযোগিতায় ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের দোহার থানা শাখার স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্য মো. সুলাইমান বেপারীর নেতৃত্বে অন্যান্য সদস্যদের সহযোগিতায় মো. তরিকুল ইসলাম লাশ আল আমিন বাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জসিম উদ্দিন জানান, মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে আইইডিসিআওের পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে মৃত ব্যক্তির করোনা ছিল কিনা।