মো. আব্দুল গনি, কেরাণীগঞ্জ ( ঢাকা) প্রতিনিধি : বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক উপদেষ্টা আলহাজ্ব আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, দেশের তিন ক্রান্তিকালেই জিয়া পরিবার এগিয়ে এসেছে। ১৯৭১ সালে দেশ যখন দিশাহারা হয়ে পরেছিলো তখন চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণার মাধ্যমে দেশের মানুষ স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ১৯৯০ এ বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে স্বৈরাচারী এরশাদের পতন হয়েছিল।গত ১৬ বছর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারক রহমানের নেতৃত্বে আমরা ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছি। সর্বশেষ ২০২৪ এ জুলাই বিপ্লবে ছাত্র জনতার আন্দোলনে আমরা নতুন স্বাধীনতা পেয়েছি। অন্তর্র্বতীকালীন সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ দিয়েছেন। আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেই নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে । আগামী সেই নির্বাচনে প্রতিটি বিএনপি’র নেতাকর্মীকে ঘরে ঘরে গিয়ে ধানের শীষ মার্কায় ভোট চাওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
তিনি সোমবার সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের সিরাজনগর মাঠে সিরাজনগর ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। তিনি আরো বলেন, কেরানীগঞ্জ বাতির নিচে অন্ধকার ছিল। আমার নেতৃত্বেই আজ কেরানীগঞ্জের এত উন্নয়ন। বাবুবাজার ব্রীজ ও বছিলা ব্রীজ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া নির্মান করেছেন।আমান উল্লাহ আমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন,কেরানীগঞ্জে কোন চাঁদাবাজ থাকতে পারবে না। যেখানেই চাঁদাবাজদের দেখবেন সেখানে তাকে ধরে পুলিশে সোর্পদ করবেন। আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সিরাজনগর মাঠের বাউন্ডারি দেয়াল নির্মান করে দেয়া হবে এবং সিরাজ নগরে গ্যাস সংযোগের ব্যবস্থাও করা হবে ইনশাল্লাহ।তিনি বলেন, কেরানীগঞ্জকে এমন আধুনিক শহরে পরিনত করা হবে যেন মানুষ ঢাকা শহরে না থেকে কেরানীগঞ্জে এসে থাকে। । এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিরাজনগর উচ্চবিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপিত বিশিষ্ট শিল্পপতি আশরাফ উদ্দিন বাবু,কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাজী শামীম হাসান,সহ-সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক হাসমত উল্লাহ নবী,সিনিয়র যুগ্নসম্পাদক মনিরুল হক মনির,যুগ্ন সম্পাদক আরিফুর রহমান মিন্টু,যুবদল নেতা মাসুদ রানা,ঢাকা জেলা স্বেচ্ছাসেক দলের যুগ্ন আহবায়ক ওয়ালীউল্লাহ সেলিম,কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোহসীন কবীর, কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা শ্রমিক দলের আহবায়ক আব্দুল জলিল ও কেরানীগঞ্জ মডেল উপজেলা জাসাসের আহবায়ক সাফায়েত হোসেন প্রমূখ। সিরাজনগর ফুটবল টুর্নামেন্টে ১৬ টি দল অংশগ্রহণ করেছিল। ফাইনাল খেলায় তারানগর ইউনাইটেড ক্লাব, কলাতিয়া মিঠাপুর পল্লীমঙ্গল সুমতি ক্লাবকে টাইব্রেকারে হারিয়ে বিজয়ীী হন। খেলা শেষে আমান উল্লাহ আমান বিজয়ী দল ও রানার্স আপ দলের অধিনায়কের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এই ফাইনাল খেলায় বিপুল সংখ্যক দর্শক উপস্থিত থেকে খেলা উপভোগ করেন।
