কেরানীগঞ্জ( ঢাকা) প্রতিনিধি: গণধর্ষণ ও পর্ণগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলার পলাতক আসামি ফাহিম হাসান(২৩)কে গ্রেফতার করেছে র ্যাব-১০। আজ বিকেলে রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-১০সূত্রে জানা যায় রাজধানী কদমতলী এলাকায় বসবাসকারী ভিকটিম তার টিকটক আইডির মাধ্যমে প্রিন্স নামক আইডির সাথে পরিচয় হয়। কথাবার্তার একপর্যায়ে ভিকটিম প্রিন্সকে তার স্বামী বিদেশ যাবে মর্মে এক লক্ষ বিশ হাজার টাকা প্রয়োজন বলে জানায়। গত ৫ মার্চ দুপুরে প্রিন্স ভিকটিমকে উক্ত টাকা প্রদানের প্রলোভন দেখিয়ে রাজধানীর কদমতলী থানার দক্ষিণ জনতাবাগের একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। পরে ভিকটিমের সন্দেহ হলে উক্ত বাসা হতে বাহির হতে চাইলে প্রিন্সসহ অপরাপর কয়েকজন ঘরের দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে এবং তারা তাদের মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে। উক্ত ভিডিও বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও প্রদান করে ভিকটিমকে । উক্ত ঘটনায় ভিকটিম গণধর্ষণ ও ধারণকৃত ভিডিও-এর বিষয়টি তার স্বামীসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জানায়। ভিকটিম বাদী হয়ে ঢাকার কদমতলী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামী উল্লেখ করে একটি গণধর্ষণ ও পর্ণোগাফ্রি মামলা দায়ের করে। মামলার বিষয়টি জানতে পেরে উল্লেখিত ঘটনায় জড়িত আসামীগণ আত্মগোপনে চলে যায়। পরবর্তীতে উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উল্লেখিত গণধর্ষণ ও পর্ণোগ্রফিতে জড়িত তদন্তে প্রাপ্ত আসামীদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল উল্লেখিত আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিকালে র্যাব-১০ এর উক্ত আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় রাজধানীর মাতুয়াইল এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে ফাহিম হাসান (২৩)কে গ্রেফতার করে। তার পিতার নাম মোঃ আব্দুর রশিদ। বাড়ি মুন্সিগঞ্জ জেলার রোজং থানার মেদেনী বন্ধন গ্রামে।
