নববাংলা: আপনি কেমন আছেন। আপনিত দোহার উপজেলা তথা নারিশা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান রাজনীতির মাঠে আলোচিত/সমালোচিত হয়েছেন।
কামাল মোড়লঃ ধন্যবাদ নববাংলাকে, আমি সর্ব প্রথম কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি মহান আল্লাহ তায়ালার উপর যিনি আমাকে মানুষ হিসেবে সৃষ্টি করেছেন, এবং মানুষের ভালোবাসা দিয়ে ধন্য করেছেন।
আসলে আমার এই ছোট জীবনে মানুষের অনেক ভালোবাসা পেয়েছি আর ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমাকে পাশে থেকে বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করেছে, সাহস দিয়েছে বিশেষ করে সোয়েবসহ আমার বন্ধুবান্ধব, বড়ভাই, ছোটভাই, যারাই আছেন গ্রামবাসীসহ সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ।
নববাংলা: রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রতিটি রাজনীতিবিদ একটি আদর্শকে ধারন করে রাজনীতি করেন এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি?
কামাল মোড়লঃ দেখুন আমি জন্মগত ভাবে একটি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান আমার বাবা জিয়াউর রহমানের আমল থেকে বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত। আমার কাকা ওয়ার্ডের মেম্বার এবং নারিশা ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। তাছাড়া আমার বড় ভাইসহ সবাই বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত । তখনকার সময় বিএনপির পক্ষ থেকে এমপি এবং মন্ত্রী ছিলেন মরহুম ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। তাদের সাথে আমিও শহিদ জিয়ার আদর্শ বুকে ধারন করি এবং ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দাদার সাথে ছাত্র দলের মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করি। বর্তমানে শহিদ জিয়ার আদর্শকে বুকে ধারন করে রাজনীতির মাঠে আছি এবং থাকবো।
নববাংলা: ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা সাহেব তো শেষ পর্যন্ত বিএনপির রাজনীতি থেকে সরে গিয়ে নিজেই দল গঠন করেছেন। যার নাম তৃণমূল বিএনপি। এই তৃনমূল বিএনপিতে আপনার পদ আছে বলে মানুষের মুখে বলাবলি আছে এই বিষয়টািআপনি বিষয়টা কিভাবে দেখছেন।
কামাল মোড়লঃ দেখুন আমি আগেই বলেছি আমি পারিবারিক ভাবেই ব্যারিস্টার নাজমুল হুদার সাথে ছাত্র দলের রাজনীতি শুরু করি। রাজনীতির কারণে হুদা ভাই এর সাথে মিশতে মিশতে পারিবারিক ভাবে এবং ব্যক্তিগত ভাবেও সম্পর্কটা কাছাকাছি চলে আসে আর অধিকারের যায়গাটাও একটু গভীর হয়ে যায়। এই অধিকারের যায়গায় থেকেই তৃণমূল বিএনপিরকমিটিতে আমার নাম চলে আসে যাহা ছিলো আমার পুরোটাই অজানা।
আলোচনা না করেই আমাকে একটি পদ দেওয়া হয় কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমার আদর্শের যায়গা থেকে কখনো আমি সরে যাইনি। আমি তাৎক্ষনিক ভাবে বলেছি আমি তৃনমূল বিএনপির সাথে রাজনীতি করবো না এবং পরবর্তিতে আমি লিখিতভাবে পদত্যাগ করি। এই যে আমার পদত্যাগ পত্র।
নববাংলা: রাজনীতি নিয়ে আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি।
কামাল মোড়লঃ আসলে রাজনীতি নিয়ে আমার কোনো পরিকল্পনা নেই। কিন্তু স্বপ্ন আছে, আর সে স্বপ্নটা হচ্ছে আওয়ামীলীগ আমাদের দল বিএনপিকে নিয়ে এত ষড়যন্ত্র করলো সেই বিএনপি যেন আগামী নির্বাচনে সরকার গঠন করে। আর আগামী পার্লামেন্টে দোহার-নবাবগঞ্জের পক্ষ থেকে জনগণের ম্যান্ডেট জনাব তারেক রহমানের মনোনীত প্রার্থী খন্দকার আবু আসফাক ভাই যেন এমপি এবং মন্ত্রী হতে পারেন। আমার এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য আমার অবস্থান থেকে যতটুক করনীয় তা একশত ভাগ করবো ইনশা আল্লাহ।
নববাংলা: রাজনীতিতে আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে চান?
কামাল মোড়লঃ রাজনীতি করি আমি মানুষের জন্য। আমি নিজেকে মানুষের ভালোবাসার মাঝে দেখতে চাই। আর বর্তমানে আমার ধ্যান জ্ঞান সব কিছুই খন্দকার আবু আসফাক ভাইকে নিয়ে কিভাবে আগামীর নির্বাচনে বিজয়ী করানো যায় । আমার এই নারিশা ইউনিয়ন থেকে তাকে বেশি থেকে বেশি ভোট দেওয়া যায়। এখন আমার এটাই একমাত্র চাওয়া আর আমি যেহেতু যুবদল করি যুবদলের দোহার থানার দেখভাল করেন ঢাকা জেলার যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল হাসেম ভাই। হাসেম ভাইর সাথে ছাত্রদল থেকেই আমি রাজনীতি করি এখন যুবদলের রাজনীতিতেও আমি আবুল হাসেম ভাইর সাথেই আছি। আমার দায়িত্ব আবুল হাসেম ভাই এবং আমাদের নেতা খন্দকার আবু আসফাক ভাই তাদের দুজনের উপর। আমাকে তারা দুজন যেখানে রাখেন যেখানে দায়িত্ব দেন সেখানেই আমি থাকবো এবং কাজ করবো।
নববাংলা: সময় দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
কামাল মোড়লঃ আপনাকেও ধন্যবাদ
