নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার শিকারীপাড়া ইউনিয়নের হাগ্রাদি গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে আল-আমিন (২০)। তার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমানে আর্থিক অভাব অনটনে সু-চিকিৎসার অভাবে সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে তার পরিবার। আল-আমিন মায়ের গর্ভে থাকা অবস্থায় নৌকা দূর্ঘটনায় বাবা মারা যায়। অভাবের সংসারে সংগ্রাম করে বেঁচে আছেন তিনি। মাত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়শোনা করেছেন। বাবা বেঁচে না থাকায় পরিবারের দায়িত্ব ছিল তার ঘারে। সুস্থ থাকাকালীন সময়ে সে কাজ করতেন একটি মুদি দোকানে।
পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আল-আমিন। বর্তমানে টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেনা তার। দুটি কিডনি নষ্ট হয়ে যাওয়ার কারনে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। আল-আমিনের বড় বোন সাথী আক্তার একটি কিডনি দিতে চাইলেও টাকার অভাবে প্রতিস্থাপন করতে পারছেন না। ছেলের চিকিৎসার জন্য মা জাহানারা বেগম দিশেহারা। সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন।
ফেসবুকের বিভিন্ন এ্যাকাউন্ট থেকে আল-আমিনের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের আবেদন জানিয়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এসব পোস্টের মাধ্যমে এবং ব্যক্তিগত ভাবে খোঁজ খবর নিয়ে আল-আমিনের চিকিৎসার জন্য ব্রাইট ফিউচার নামে একটি সংগঠন এগিয়ে এসেছেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে চিকিৎসা খরচ হিসেবে ৪০ হাজার টাকা আল-আমিনের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে ব্রাইট ফিউচারের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন খাঁন তার পরিবারের কাছে টাকা প্রদান করেন।
ব্রাইট ফিউচারের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন খাঁন বলেন, আমাদের সংগঠনের মাধ্যমে অসহায় ও গরিব মানুষের সেবা করে থাকি। সব সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। বিত্তবানরাও যদি আল-আমিনের চিকিৎসার জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেন তবেই আল-আমিন সুস্থ স্বাভাবিক জীবন নিয়ে আমাদের মাঝে ফিরে আসবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ব্রাইট ফিউচারের সদস্য ফারজানা খান লীনা, একলাস উদ্দিন, শওকত হোসেন টুন্নু, সিদ্দীকুর রহমান, আবুল কালাম ও ডা. নূরুল ইসলাম প্রমুখ।
আল-আমিনের জন্য সাহায্য পাঠানোর জন্য; মো. শাহজাহান (আল-আমিনের মামা), বিকাশ নম্বর: ০১৬৭৯৫৭১০৯৩ ( পার্সোনাল)
