শ্রীনগরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর অভিযোগ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিএনপির নেতার বিরুদ্ধে প্রবাসীর স্ত্রী নিয়ে পালানোর অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ভাগ্যকুল এলাকায় এঘটনা ঘটে। ভাগ্যকুলের উত্তর মান্দ্রা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের ছেলে সৌদি আরব প্রবাসী সবুজ ভূঁইয়া (৩০) এ ঘটনায়
শ্রীনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা যায়, ভাগ্যকুল ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হাওলাদারের
(৩৪) সঙ্গে সবুজ ভূঁইয়ার স্ত্রী ফাতেমা আক্তার পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। গত ২৯ জুলাই সকালে ২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ১ লাখ ৭ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানায়, বিএনপি নেতা মনিরের সঙ্গে সবুজের স্ত্রী ফাতেমার পরকীয়া সম্পর্কের
ঘটনায় আগেও একবার সালিশ হয়। সবুজ ও ফাতেমা দম্পতির সংসারে ৭ বছরের একটি কন্যা সন্তানের
কথা চিন্তা করে তাদের মধ্যে মিলমিশ করে দেওয়া হয়। কিছুদিন ভালো থাকলেও গোপনে মনির
হাওলাদার গৃহবধূ ফাতেমার সঙ্গে ফের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে। এখন দুজনের পালিয়ে
যাওয়ার ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ভুক্তভোগী সবুজ ভূঁইয়া বলেন, এক বছর আগে সৌদি আবর থেকে দেশে আসি। কিছুদিন পর জানতে
পারি মনির হাওলাদারের সঙ্গে স্ত্রীর পরকীয়া সম্পর্কের বিষয়। কন্যা সাবিহা ইসলামের (৭) কথা
চিন্তা করে পরে স্থানীয়ভাবে বসে মিমাংসা করে ঘর সংসার করতে থাকি। বিদেশ না গিয়ে এলাকায় অটোরিকশা চালানো শুরু করি। তবে মনির গোপনে ফাতেমাকে ফুসলিয়ে যোগাযোগ শুরু করে।

গত সপ্তাহে আমার মেয়েকে নিয়ে স্ত্রী ফাতেমা তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে যায়। শ্বশুর বাড়িতে স্ত্রী-কন্যার খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি গত বুধবার সকাল ৫টার দিকে ফাতেমা ব্যাগ নিয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছে। পরে ধারনা থেকে জানতে পারি পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রী পালিয়ে কোন জায়গায় আত্মগোপন করেছে।
তিনি আরো বলেন, স্ত্রীর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় শ্বশুর বাড়ির লোকজন উল্টো তাকেই অপবাদ দিচ্ছে। অভিযুক্ত ফাতেমা আক্তার ভাগ্যকুল এলাকার পশ্চিম কামারগাঁও গ্রামের আহম্মদ আলী বেপারীর মেয়ে। স্থানীয় বিএনপি নেতা মনির হাওলাদার একই গ্রামের নুর ইসলাম হাওলাদারের ছেলে।

এ বিষয়ে জানতে বিএনপির নেতা মনির হাওলাদারের সঙ্গে একাধিক বার যোগাযোগের চেষ্টা
করা হলে তার মোবাইল ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া গেছে। শ্রীনগর থানা অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ
জুয়েল মিঞা জানান, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *