নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ বলেছেন সৌহার্দ্যপূর্ণ ধর্মীয় সম্প্রীতি ছাড়া দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। এতে ধনী-গরিবের বিভেদ কমে যাবে। আসুন আমরা সম্প্রীতি স্থাপন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি।
শুক্রবার রাত ৯টায় উপজেলার শোল্লা সার্বজনীন কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজায় সনাতন ধর্মাবলম্বিদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে ও পরে তিনি গোবিন্দপুর ডাক্তার বাড়ি মন্দির, যন্ত্রাইল, নলগোড়া, কলকোপা, চন্দ্রখোলা, শোল্লা এলাকার বিভিন্ন মন্ডপে বস্ত্র বিতরণ করেন।
তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তা এক ও অভিন্ন। মানবতাই হচ্ছে সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম। পৃথিবীর সব ধর্মে মানবতাকেই সর্বশ্রেষ্ঠ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ঈদ এলে যেমন ভেদাভেদ ভুলে সবার সাথে কুলাকুলি করে সৌহার্দ্য বিনিময় করি। পূজা এলেও তাই করি। বড়দিন, বৌদ্ধ পুর্নিমা এলে আমরা একে অপরের বাড়িতে গিয়ে এক টেবিলে বসিয়ে আপ্যায়ন করি। এটাই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ। হিংসা, হানাহানি নয়, আসুন প্রত্যেকই যে যার অবস্থানে থেকে মানবতার ধর্ম পালন করি।
নির্মল রঞ্জন গুহ বিএনপি-জামায়াতের উদ্দেশ্য করে বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী বঙ্গবন্ধু সরকারে স্থান দেয়া হয়েছিল স্বাধীনতার পক্ষের এক ঝাক দেশ প্রেমিককে। কিন্তু দুঃখের সাথে বলতে হয়, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা বিরোধী, কুখ্যাত রাজাকারদের নিয়ে সরকার গঠন করে পাকিস্তান কায়েমের পরিকল্পনা করেছিল। তার স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াও পিছিয়ে ছিলেন না। স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পাতাকা তুলে দিয়ে দেশের সঙ্গে বিশ্বাস ঘাতকতা করেছিলেন। আর মুুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিকে দুরে রেখেছিলেন।
মন্দির কমিটির সভাপতি নিখিল মন্ডল আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন। বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও সঞ্চালনায় ছিলেন নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার মন্ডল।
উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আনার কলি পুতুল, ঢাকা জেলা আওয়ামীলীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবণ্য, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম, এ্যাডভোকেট মো. শাহীন, রাহুল দাস, দেলোয়ার হোসেন, মিজানুর রহমান, মীর্জা মোর্শেদ মিলন, জাফর ইকবাল লাবলু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিদ্দিক, ঢাকা জেলা দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মাহবুব বেপারী, দোহার উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি বাসার চোকদার, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, নবাবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. পলাশ, উপজেলা যুবলীগ সহ-সভাপদি দেবাশীষ চন্দ প্রমুখ।
