নিজস্ব প্রতিবেদক: ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম এলাকায় ইছামতি নদীতে কচুরিপানায় ভরে গিয়ে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়াও নদী পারাপারে এতে ওই অঞ্চলের মানুষের ছোট ছোট যান চলাচলে দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মানুষের দূর্ভোগ লাঘবে কচুরীপানাকে কিভাবে সম্পদে পরিণত করা যায় সেই লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার শিকারীপাড়া ও বারুয়াখালী ইউনিয়ন দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদীর বিভিন্ন স্থান পরিদর্শক করেন নবাবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু।
এ সময় নাসির উদ্দিন আহমেদ ঝিলু বলেন, নদীতে কচুরীপানা জন্মে যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এটা যাতে না হয় এ জন্য স্থানীয়দেরকে নিয়ে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। কচুরীপানা দিয়ে নদীতে ভাসমান বেড তৈরি করে শাক সবজি উৎপাদনে চাষীদেরকে উৎসাহিত করতে হবে। তাছাড়া কচুরিপানা পচিয়ে ৬০/ ৮০ শতাংশ মিথেন গ্যাস পাওয়া যাবে, তা থেকে মিলবে সস্তায় জ্বালানি গ্যাস। ভেষজ চিকিৎসার ক্ষেত্রেও কচুরীপনার বিশেষ ভ‚মিকা রয়েছে। গবাদি পশুর খাদ্য ও বায়োগ্যাস উৎপাদনের জন্য এটি চমৎকার একটি উৎস। কচুরিপানা থেকে গোবরের চাইতেও বেশি বায়োগ্যাস উৎপাদন করা যায়। কচুরীপানা পচিয়ে জৈব সার তৈরী করা যায়।
তিনি বলেন, এ সব উদ্যোগ গ্রহণ করলে নদীতে মৎস্য সম্পদও বৃদ্ধি পাবে নদীর পানি নষ্ট হবে না।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা রওশন আরা, মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ জাকসি, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা মান্নান, উপজেলা অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা আসমা জাহান, শিকারীপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলীমোর রহমান খান পিয়ারা, বারুয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান এমএ বারি বাবুল মোল্লা।
