নিজস্ব প্র্রতিবেদক: ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মাহবুবুর রহমান বলেছেন, এ এলাকায় অনেক মন্ত্রী এমপি হয়েছিলেন। জনগণের কাঙ্খিত উন্নয়ন করা সম্ভব হয়নি। স্বাধীনতার ৪৯ বছরের সেই সব কাঙ্খিত উন্নয়ন আর জনগণের অবহেলার মূল্যায়ন করছে জেলা পরিষদ। অবহেলায় সেই সব উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরছি। এ সেবা করতে পেরে আমি পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞ।
শনিবার দুপুরে ঢাকার নবাবগঞ্জে জেলা পরিষদের অর্থায়নে এক কোটি ৪১ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত আট প্রকল্প উদ্বোধনকালে উপস্থিত এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, সারা জীবন মানুষের জন্য ভেবেছি। ৫০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে দশ লাখ টাকার উন্নয়ন করতে পারিনি। কিন্তু জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে গত ৪ বছরে তিনশ’ কোটি টাকার প্রকল্প উন্নয়ন করেছি। আগামী এক বছরে আরো ৭০/৭৫ কোটি টাকার প্রকল্প বরাদ্দ আসতে পারে। এসবই আল্লাহ’র ইচ্ছা। বঙ্গবন্ধু কন্যা, জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঢাকা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়েছেন বলেই তা করতে পেরেছি।
শনিবার নবাবগঞ্জের মরিচপট্টি কবরস্থানের আরসিসি সংযোগ রাস্তা, মরিচপট্টি পাকা রাস্তা হতে মোড়ল বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, চুড়াইন সাস্কৃতিক সংঘের ভবন থেকে বিচারপতি মো. সেলিম-এর বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, গালিমপুর বড়গ্রাম মদ্যপাড়া জামে মসজিদ উন্নয়ন, সূর্য্যখালী মধ্যপাড়া জামে মসজিদ উন্নয়ন, নোয়াদ্দা শারদানন্দ সার্বজনীন পূজা মন্ডপ উন্নয়ন, বাহ্রা ইদাহাফ মুন্সিবাড়ি হতে শেখ তসর আলীর বাড়ি পর্যন্ত আরসিসি রাস্তা, বাহ্রা বায়তুল ইজ্জত জামে মসজিদের উন্নয়ন বাস্তবায়িত প্রকল্পের উদ্বোধন করা হয়।
আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান মোল্লা, সদস্য এস এম সাইফুল ইসলাম, নারী সদস্য মাহমুদা আক্তার, চুড়াইন ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জলিল, গালিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান তপন মোল্লা, মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন মোড়ল, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বাসেত, আওয়ামীলীগ নেতা আজিজুর রহমান আজিম, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জিএম সারোয়ার, নুরুল ইসলাম খোকা, শেখ শাহাবুদ্দিন, সুরুজ মোল্লা, মোস্তফা মোল্লা প্রমুখ।
