মো.কামাল হোসেন : দোহার উপজেলার নয়াবাড়ি, কুসুমহাটি, মাহমুদপুর ও বিলাশপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে ঢুকছে আগাম বর্ষার পানি।আর এ নতুন বর্ষা পানিতে চলছে জেলেদের মাছ শিকারের ধুম। পানি বাড়ার সাথে সাথে পেশাদার জেলেদের সা্থে সাথে মৌসুমি জেলেরা এবং ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা মাছ শিকারে ব্যাস্ত সময় পাড় করছে।
কেউ কেউ মাছ ধরছে জাল কিংবা বরশি দিয়ে কেউ বা আবার মাছ ধরছে চায়না দুয়ারী কিংবা ভেশাল দিয়ে। তারা মাছও পাচ্ছে প্রচুর পরিমানে সেই সাথে মাছের দাম ও পাচ্ছে বেশি।
কথা হয় পেশাদার জেলে শেখ মামুনের সাথে, তিনি নববাংলা কে জানান আমি চায়না দুয়ারী দিয়ে মাছ ধরি। কিছুদিন ধরে ভালো মাছ পাচ্ছি। আজ ৩৩০০ টাকা বেচ্ছি (বিক্রি করছি) মাছ । গতকাল ও এমন বেচ্ছি। পানি আরো বাড়লে বেশি মাছ পাব ।
মৌসুমি জেলে হুমাইন মিয়া জানান আমি বর্ষা এলেই মাছ ধরি। কারণ এ সময় মাছ বেশি পাওয়া যায়।
মো সবুজ নববাংলা কে জানান আমরা মাছ ধইরা এখন ভালোই আছে। আমরা প্রতিদিন গড়ে ২৫০০ টাকা থেকে ৩০০০ টাকা পর্যন্ত মাছ বিক্রি করি।আমাদের সংসার এখন ভালোই চলে মাহমুদপুরের জেলে ওহাব ফকির নববাংলা কে জানান,বর্ষা আসার পর থেকে প্রতিদিন ৪০০০-৫০০০ টাকা বিক্রি করছি। আমার ১৫ টি চায়না দুয়ারিতে এত মাছ ওঠে। অনেকে আরো বেশি ও বিক্রি করে। ১০ থেকে ১৫ জন জেলের সাথে কথা বলে জানা যায় সবাই প্রতিবারের চেয়ে এবার মাছ বেশি পাচ্ছে।মাছ বেশি পাওয়ার কারনে অনেক মৌসুমি জেলেরাই নামছে মাছ ধরতে। রবিবার বিকালে মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায় ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা জাল দিয়ে মাছ ধরছে। অনেক ছেলেরা আবার ছোট ছোট চাইনা দুয়ারী দিয়ে মাছ ধরতে ব্যাস্ত। ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা মাছ ধরতে পেরে অতি খুশি।
