নবাবগঞ্জে পুলিশের অভিযানের কথা শুনে ভয়ে পালাতে গিয়ে যুবদল নেতার মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। রবিবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার ভোর রাতে উপজেলার মৃধাকান্দা এলাকায় অভিযানে যায় পুলিশ। এসময় এক বছর সাজাপ্রাপ্ত পরোয়ানাভুক্ত আসামি উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন আজাদের বাড়িতেও যায় পুলিশ। পরে তাকে না পেয়ে পুলিশ ফিরে যায়।
আমজাদের স্ত্রী মাহফুজা বেগম জানান, ঘরের দরজা খুলে পুলিশের গাড়ী চলে গেছে জানালে আমার স্বামী (আমজাদ) ঘরের পেছনের দরজা দিয়ে বাহিরে বের হয়। আমি ভেবেছিলাম তিনি মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছেন। কিন্তু সকাল ৫টার দিকে স্থানীয় লোকজন ও মসজিদের মুসল্লীরা মৃধাকান্দার রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে ক্ষেতের পাশে তাকে (আমজাদ) পড়ে থাকতে দেখে আমাদের খবর দেয়। পরে আমাদের পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে (আমজাদ) নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বলেন, আমজাদ হোসেনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হতে পরিবারের সম্মনিতে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।
অন্যদিকে যুবদল নেতা আমজাদের মৃত্যুর খবর শুনে তাকে দেখতে আসেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল মান্নানের মেয়ে বিএনপি নেত্রী ব্যারিস্টার মেহনাজ মান্নান, দোহার উপজেলার সাবেক যুগ্ম আহবায়ক খন্দকার শাহীন মাহমুদসহ বিএনপির অন্যান্য নেতাকর্মীরা। এসময় মেহনাজ মান্নান নিহতের পরিবারকে শোক সমবেদনা জানিয়ে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, আমজাদ বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা। তিনি আমার বাবার সাথে থেকে রাজনীতি করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের আমলে অনেক মামলা ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমরা তার মৃত্যুর আসল কারণ জানতে চাই।
