প্রতিবেদক : দেশের প্রতিটি উপজেলা প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, বিলিয়ন ডলার মালিক, শিল্পপতি, অনিয়ম ও অবৈধভাবে অর্থসম্পদ অর্জনকারী বিত্তশালী যারাই আছেন, সম্পূর্নই বীর মুক্তিযোদ্ধারা মহান মুক্তিযুদ্ধে যুদ্ধ করে অর্জন করা জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনারবাংলা। আজ বিশ্বজুড়ে করোনার মহামারীতে সোনারবাংলার মানুষ ও বিশ্ববাসী কোথায় গিয়ে দাড়াবে?
ভিক্ষা লাগবে না কুত্তা তাড়াও। সারাদেশে করোনায় লকডাউনে কষ্টে থাকা মানুষের একটু ভালো থাকার জন্য ত্রাণ বিতরণ চলছে, অভিযোগ আছে এই দুঃসময়ে ত্রাণসামগ্রী চুরেরা চুরিও করতেছে। তাই বলি, চুরে না শুনে ধর্মের কাহিনী।
প্রধানমন্ত্রীর সৎ যোগ্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রীসহ মন্ত্রী পরিষদ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি প্রত্যেকের কাছে রক্তেঝড়া এই স্বাধীন বাংলাদেশে যুদ্ধ করেছে যারা, সেই বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সকল পরিবার যেন আর্থিকবরাদ্দ পায়, এদিকে নজর দিয়ে মর্যাদাসম্পন্ন জীবন-জাপনের জন্য আত্মমানবতার সেবক হয়ে স্ব-স্ব অবস্থান থেকে পালন করার বিশেষভাবে অনুরোধ করা যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থবরাদ্দের প্যাকেজ থেকে যেন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আর্থিক সহায়তা, ব্যাংকলোন ঘোষণা দেওয়া হয়।
বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যেন ভিক্ষুকের মতো ভিক্ষা না দেয়া হয়। প্রতিটি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সোনালী ব্যাংকে একাউন্ট করা আছে। তাদের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়নে একাউন্টে টাকা বরাদ্দ করার দাবি জানাই।
বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মো. ইব্রাহিম খলিল
মুক্তিযোদ্ধা জনতার সম্প্রীতি বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান।
