স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকার কেরানীগঞ্জে আরও ৪ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।এই নিয়ে করোনায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন ৮ জন। এই ৪ জনের মধ্যে ১ জনের বাড়ি কালিন্দী ইউনিয়নের বরিশুড় গ্রামের সুলতান মাহমুদ (৩৫)। অপর জনের বাড়ি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা ইউনিয়নের বেগুনবাড়ি এলাকার আব্দুর রাজ্জাক (৮০)। বাকী ২ জনের ১ জন নাজমা আক্তার (৩২) এবং অন্যজন সাজ্জাদ হোসেন (১৬)। তাদের ২ জনেই একই পরিবারের সদস্য। তাদের বাড়ি জিনজিরা ইউনিয়নের চররঘুনাথপুর গ্রামে।
আব্দুর রাজ্জাক, নাজমা ও সাজ্জাদ হোসেন এ ৩ জন কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাদের নমুনা সংগ্রহ করিয়েছিলেন। শুধু সুলতান মাহমুদ নিজেই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার নমুনা পরীক্ষা করিয়েছিলেন। আজ বুধবার (৮এপ্রিল) বিকেল ৩টায় ঢাকা থেকে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ফলাফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার অফিসে আসে।
এ তথ্যটি নিশ্চিত করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মীর মোবারক হোসোইন জানান, তারা ১৬জনের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠিয়েছিলেন। এদের মধ্যে ৩ জনের করোনা শনাক্ত রিপোর্ট এসেছে। তাদের নমুনা সংগ্রহ পরীক্ষায় এপর্যন্ত ৬ জন করোনা শনাক্ত হয়েছেন। বাকী ২ জন তারা ঢাকা থেকে নমুনা পরীক্ষা করিয়ে তারা করোনা শনাক্ত হয়েছেন। তারা প্রতিদিনই সন্দেহভাজন মানুষের নমুনা সংগ্রহ করছেন।
করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ায় শুভাঢ্যা পুর্বপাড়া দেওয়ান বাড়ি ও জিনিজিরা ইউনিয়নে লকডাউন চলছে। এদিকে গত শনিবার (৫এপ্রিল) জিনজিরা মডেল টাউন এলাকায় গোলাম মোস্তফা (৬৫) নামে এক করোনা রোগে শনাক্ত হয়। পরের দিন রোববার (৬এপ্রিল) দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের শুভাঢ্যা পুর্বপাড়া দেওয়ান বাড়ি এলাকায় মো. মজিবর রহমান (৬৮) নামে এক ব্যক্তি করোনা রোগে শনাক্ত হয়। একই দিন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার জিনজিরা ইউনিয়নের জিনজিরাবাগ এলাকায় নুরে আলম ঢালী ওরফে নোমান (৩৫) এবং চররঘুনাথপুর গ্রামে মো. সাহাবুদ্দিন (৪৭) নামে দুই ব্যক্তি করোনা রোগে শনাক্ত হয়।
অপরদিকে কেরানীগঞ্জে এখনো ৫৩ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছে। ইতোমধ্যে ১০৫জন হোম কোয়ারেন্টাইন থেকে মুক্ত হয়েছেন।
