শ্রীনগরে সরকারী রাস্তার উন্নয়ন কাজে বাধা! এলাকাবাসীর ক্ষোভ

এমএ কাইয়ুম মাইজভাণ্ডারী(মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে সরকারী রাস্তার উন্নয়ন কাজে বাধা দেয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এ নির্মাণ কাজ করা হলে বরাদ্দকৃত অর্থ ফেরত যাবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য।

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত থাকার পর উপজেলার ষোলঘর ইউনিয়নের পশ্চিম কেয়টখালী মাদ্রাসা রোড হতে কবরস্থান পর্যন্ত ৭২৫ মিটার রাস্তার সিসি ঢালাই নির্মার্ণ কাজের বরাদ্দ দেন উপজেলা প্রশাসন।
গত কয়েকমাস আগে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু হয়। রাস্তার নির্মাণ কাজের প্রথমাংশের দিকে রাস্তায় নিজের সম্পত্তি দাবী করে নির্মাণ কাজে বাধা দেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ঠিকাদারকে পক্ষ করে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানী মামলা দায়ের করেন ঐ এলাকার মৃত আলী হোসেন চৌধুরীর পুত্র শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদ মিস্ত্রি।

স্থানীয় বাসিন্দা জালাল খালাসী বলেন, ষোলঘর থেকে হাসাড়া বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি ব্রিটিশ আমলের একুয়ার করা রাস্তা। যদিও আমরা ঢাকা মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে বসবাস করি। কিন্তু এই রাস্তাটি দীর্ঘদিনেও সংস্কার না হওয়ায় এলাকার প্রায় দশ হাজার মানুষ যাতায়াতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছিলাম। এমনকি এই রাস্তার সামনে কবরস্থান রয়েছে। কোন মানুষ মারা গেলে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় লাশ নিয়ে কবরস্থানে যেতে ভোগান্তি পড়তে হত আমাদের।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মখদম বলেন,উপজেলা নির্বাহী অফিসার দীর্ঘদিন পর কবরস্থান পর্যন্ত
আমাদের রাস্তাটির সংস্কার কাজে বরাদ্দ দিয়েছেন। রাস্তার উন্নয়ন কাজ করাকালে স্থানীয় শহিদ মিস্ত্রি এসে রাস্তার নির্মাণ কাজে বাধা দেয় এবং কাজটি বন্ধ করার জন্য কোর্টে গিয়ে একটি মামলা করেছে। এতে রাস্তাটির উন্নয়ন কাজে বাধা পড়ে এবং করবস্থানে লাশ নিয়ে যাওয়াসহ এলাকার প্রায় দশ হাজার মানুষ এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে না পেরে ভোগান্তিতে পরেছে।

রাস্তা নির্মাণ কাজে বাধাদানকারী শহিদুল ইসলাম ওরফে শহিদ মিস্ত্রির কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগনের যাতায়াতের জন্য রাস্তা হবে সেটা আমিও চাই। কিন্তু রাস্তা জায়গা দিয়ে রাস্তা না করে আমার জায়গা দিয়ে রাস্তা করায় আমি আদালতে মামলা করেছি।

এবিষয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ রেজাউল করিম বলেন, যেহেতু এব্যাপারে মামলা করেছে। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *