মো. নাজমুল হোসেন: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় আর ডব্লিউএইচও’র উদ্যোগে স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ মিনিস্টার’স ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এতে দেশের সকল উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পিছিয়ে ফেলে সেরা দশে জায়গা করে নিয়ে ১ম বারের মত মিনিস্টার’স ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড পেলো নবাবগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম।
এসময় তিনি জানান, আমরা দুই দুইবার এই অ্যাওয়ার্ডের কাছাকাছি গিয়েও অ্যাওয়ার্ডটি পাইনি। কারণ ৫৭৩টি শর্তাবলীর মধ্যে আমরা সব ধাপ পেরিয়ে গেলেও কিছু যন্ত্রপাতির অভাবে সমস্ত শর্তাবলি পূরণ করতে পারিনি। তবে ভাগ্যক্রমে আমাদের অভিবাবক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা ও ঢাকা-১ আসনের সাংসদের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলাবাসীকে শ্রেষ্ঠ সেবা প্রদান এবং তারই মাধ্যমে আমাদের অপূর্ণ যন্ত্রপাতি গুলো পেয়েছি, ফলে আমারা ৫৭৩টি শর্তের মধ্যে সমস্ত শর্ত পূরণ করতে পেরেছি। সেই সাথে স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সম্মানিত সচিব আলী নূর মহাদয় আমাদের এই হাসপাতালের উন্নয়ন লক্ষে নানা পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা দিয়েছিলেন। এমপি মহাদয় ও সচিব মহাদয়ের বিভিন্ন দিক নির্দেশনা এবং হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসক, কর্মচারিদের একান্ত প্রচেষ্টায় আমাদের আজকের এই বিশাল অর্জন। এসময় স্থানীয় সাংসদকে ধন্যবাদ জানিয়ে অর্জিত অ্যাওয়ার্ডটি নবাবগঞ্জবাসী ও বাংলাদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে যে সকল চিকিৎসক মারা গিয়েছেন তাদের প্রতি উৎস্বর্গ করেন তিনি। তিনি বলেন, আমরা আশা করি আমাদের এই হাসপাতালটি যদি ৫০ শয্যা থেকে ১০০ শয্যা করা হয় তাহলে নবাবগঞ্জবাসীকে আমরা আরো উন্নত সেবা দিবে পারবো ইনশাআল্লাহ।
উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যসেবায় হেলথ মিনিস্টার’স ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ২০১৯ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশিদ আলমের সভাপতিত্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি বর্ধন জং রানা, স্বাস্থ্যসচিব মো. আব্দুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব মো. আলী নুর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খান মোহাম্মদ রেজাউল করিম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমের (এমআইএস) পরিচালক ডা. মো. হাবিবুর রহমান, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
