ইমরান খান রাজ (স্টাফ রিপোর্টার): ঢাকা জেলার দোহার উপজেলার নারিশা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে বেশিরভাগ গ্রামেই বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বন্যার পানি বাড়ার সাথে সাথে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে অত্র এলাকার হাজারো কর্মজীবী মানুষ। ইতোমধ্যে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে মেঘুলা বাজার, পশ্চিম চর, খালপাড়, নারিশা বাজার এলাকা ও সাতভিটার কিছু এড়িয়া। মূলত নদী তীরবর্তী এলাকা হওয়ায় খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে তলিয়ে যায় এসব এলাকা। এমতাবস্থায় তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা ও দৈনন্দিন নানান কাজে সমস্যা দেখা দিয়েছে।
নারিশা বাজারের ব্যবসায়ী মো. খলিল প্রামাণিক বলেন, এবছর ব্যাপক বন্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ইতোমধ্যে আমার দোকানের সামনে পানি উঠে গেছে। বন্যার পানি বাড়ার কারণে দোকানে ক্রেতার সংখ্যা আগের চেয়ে কমে গেছে। একদিকে করোনাভাইরাসের আতঙ্ক তার মধ্যে বন্যা বন্যার পানি বাড়ার জন্য দোকানটাও বন্ধ রাখতে হচ্ছে মাঝে মাঝে। এখন পরিবার নিয়ে তিনবেলা খাওয়াটাই কষ্টকর হয়ে গেছে। এসময় তিনি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদেরকে বন্যা কবলিত মানুষের পাশে এগিয়ে আসার আহবান জানায়৷
বন্যার কারনে নষ্ট হচ্ছে ফসল, পানিতে মরে যাচ্ছে গাছপালা, কর্মজীবী মানুষের কাজে যাওয়ায় ব্যাঘাত ঘটছে। প্রতিবছর বর্ষার সময়ে উপজেলার পদ্মা নদী তীরবর্তী হাজারো পরিবার কষ্টে দিনযাপন করে। নদী ভাঙ্গনের ফলে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয় অনেক পরিবার। গতবছর পদ্মা ভাঙ্গন রোধে উদ্যোগ নেন ঢাকা-১ আসনের এমপি সালমান এফ রহমান। দ্রুত পদ্মা বাঁধের কাজ সম্পন্ন করে নদী ভাঙ্গন রোধ করা হবে সেটাই প্রত্যাশা দোহারবাসীর।
