সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি : মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের রাজানগর ইউনিয়নে সৈয়দপুর আব্দুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেণির ৬ শিক্ষার্থীর চুল কেটে দিলেন ওই স্কুলের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষিকা রুনিয়া সরকার। এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাজানগর ইউনিয়নে সৈয়দপুর আব্দুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের এক জরুরু সভায় চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্থ করা হয়েছে। গত বুধবার ক্লাস চলাকালীন সময় এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, হিজাব না পড়ার কারনে হঠাৎ করে রুনিয়া সরকার নামে শিক্ষিকা কাঁচি (কেঁচি) দিয়ে ৭ম শ্রেনীর ৬ শিক্ষার্থীর মাথার চুল কেটে দেয়। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক ও পরিচালনা পরিষদের সদস্যরা দামা-চাপা দেওয়ার চেষ্ঠা করেন ।
এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে চরম ক্ষোভের সৃষ্ঠি হয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন অভিভাবক জানান,হিজাব না পড়ার কারনেই চুল কেটেছে ।
সৈয়দপুর আব্দুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিয়া ফরিদ আহমেদ জানান, বিষয়টি আমি পরে জানতে পেরেছি ৩ অথবা ৪ জন মেয়ের সামান্য চুল কেটেছে তবে হিজাব না পড়ার কারনে নয় । মেয়েরা একটু উশৃঙ্খলাতা করেছে এই কারনে । এঘটনায় বৃহস্পতিবার রাজানগর ইউনিয়নে সৈয়দপুর আব্দুর রহমান স্কুল এন্ড কলেজের এক জরুরী সভায় হয়। সভায় তিন জনের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে তারা তিন কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত বিপোর্ট জমা দিবেন। চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগে শিক্ষক সাময়িক বরখাস্থ করা হয়েছে। তদন্ত শেষে শিক্ষিকার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো.মিজানুর রহমান ভুইয়া জানান,ঘটনা সত্য । চুল কাটার বিষয়টি ওই স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিয়া ফরিদ আহমেদ স্বীকার করেছেন । আমি অভিযুক্ত মেডামের সাথে কথা বলার চেষ্টা করেছিলাম তবে মোবাইল বন্ধ পাচ্ছি । আগামীকাল ওই মেডামকে শোকজসহ সব ধরনের আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
সিরাজদিখান উপজেলা নিবাহী অফিসার সাব্বির আহমেদ জানান ,ঘটনা সত্য । আমি রাত ৯ টার দিকে জেনেছি । আগামীকাল ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
অভিযুক্ত রুনিয়া সরকারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করা হলে বন্ধ পাওয়া যায় । মেসেজে পাঠানো হলেও তার কোন উত্তর পাওয়া যায়নি ।
