সিরাজধিখানে নারীকে পিটিয়ে জখম, শ্লীলতাহানির অভিযোগ

সিরাজদিখান (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি ঃ মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সুমিত্রা মন্ডল (৫০) নামের এক নারীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ওই নারী শীরের যন্ত্রনা নিয়ে হাসাপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছেন। এসময় ওই নারীর স্বামী প্রভাত মন্ডল ও ছেলে শান্ত মন্ডলকেও মারধর করা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় সারে ৬টার দিকে সিরাজদিখান থানার কেয়াইন ইউনিয়নের লক্ষিবিলাশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে সিরাজদিখান থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
কান্না জড়িত কন্ঠে ওই নারী বলেন, তাদের বাড়ির জায়গা ও ঘড়েরর টুয়া নিয়ে তার স্বামী প্রভাত মন্ডলের সঙ্গে প্রতিবেশী পরিমল মন্ডল ও হিরালাল মন্ডলের দীর্ঘ দিনের বিরোধ ছিলো। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার সালিশ মিশাংসাও হয়েছে। স্খানীয় সালিশদাররা বিষয়টি সমাধান না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই শান্ত থাকতে বলেন। গত শনিবার প্রভাত মন্ডলের স্ত্রী সুমিত্রা মন্ডল তাদের ঘড়ের টুয়া সারাই করতে বললে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে পরিমল মন্ডল ও হিরালাল মন্ডল দেশীয় অ¯্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করেন। এছাড়া পরিমল মন্ডল,হিরালাল মন্ডলসহ ৫ থেক ৬ জন তাকে বেধড়ক মারধর করে এবং তার পরিধেয় কাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি করে। মাকে বাঁচাতে ছেলে শান্ত মন্ডল এগিয়ে আসলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে আসে।
সুমিত্র মন্ডলের স্বামী প্রভাত মন্ডল বলেন, গত শনিবার আমরা কেউ বাড়ি না থাকার সুযোগে পরিমল মন্ডল আমার স্ত্রীকে শ্লীলতাহানির চেস্টা করে, তার পরিবারের সবাই মিলে আমরা স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে ব্যাপক মারধর করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।
ঘটনার সময় উপস্থিত সুমন বাড়ৈয়ের ছেলে সাগর বাড়ৈ ও পিযুষ মন্ডলের স্ত্রী সেতু মন্ডল বলেন, পরিমল মন্ডল ও হিরালাল মন্ডল সুমত্রিত্রা মন্ডলকে মারধর ও শ্লীলতাহানির কাজটি ঠিক করেননি।
এ বিষয়ে পরিমল মন্ডল বলেন, সুমিত্রা মন্ডল ও তার ছেলে শান্ত মন্ডল আমাকে মেরেছে এ ঘটনা নিয়ে সালিশ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
সিরাজদিখান থানার ওসি(তদন্ত) মোঃ, হাবিবুর রহমান বলেন, মারধরের পর আহতবস্থায় ওই নারী থানায় এসেছিলো। আমরা তাকে চিকিৎসা নিতে বলেছি। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হইবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *