সিরাজদীখানে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের ৩তিন ধরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

আরিফুর রহমান সিরাজদিখান মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদীখান উপজেলার ইছাপুরা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের পদত্যাগের ১ দফা দাবিতে ৩দিন ধরে বিক্ষোভ মিছির করছে শিক্ষার্থীরা। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সড়ে ১১ টার দিকে বিদ্যালয়ের শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সিরাজদীখান থানার সামনে এসে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। পরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠায়। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে উপজেলা পরিষদে যায়,পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ইছাপুরা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীদের পক্ষে নাদিয়াতুল জান্নাত,সামিয়া ইসলাস মিরা,জান্নাতুল বুশরা,স্নেহা আক্তার,আনিসুর রহমান।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইছাপুরা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহেব দীর্ঘদিন যাবত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম করে আসছে এবং বর্তমানে তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখছে। এমতাবস্থায় তার সকল অভিযোগের কাগজপত্রাদী আবেদনের সাথে নিম্নে সংযুক্ত করে জমা দেয়া হয়। এতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অভিযুক্তকারী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন সাহেব কে বহিস্কার করে নতুন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে বিদ্যালয়ের সুশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সহযোগিতা কামনা করেছেন।
শিক্ষার্থীরা জানান,প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন একক সিদ্ধান্তে বিদ্যালয় পরিচালনা করেছে এবং বিদ্যালয়ে ব্যাপক দুনীতি করে যাচ্ছে। তাই তারা প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগ চান। এছাড়া সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে তাদের প্রধান শিক্ষক পালিয়েছে। কয়েকদিন ধরে তিনি বিদ্যালয়ে আসেন না। তাই প্রশাসনের কাছে দাবী এখনই দুনীতিকারী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে প্রধান শিক্ষকের পথ থেকে তাকে অব্যাহতি দিতে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনকে প্রধান শিক্ষকের পথ থেকে অব্যাহতি না দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, ইছাপুরা সরকারী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগপত্র প্রদান করেছে শিক্ষার্থীরা। সেই অভিযোগটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পাঠানো হচ্ছে। পরে শিক্ষার্থীরা চলে গেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *