সিংগাইর পৌর এলাকায় রেড জোন কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে উপজেলা প্রশাসন।

মো.রকিবুল হাসান বিশ্বাস(মানিকগঞ্জ): মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার পৌরসভা ও জয়মন্টপ ইউনিয়ন এলাকা করোনা সংক্রমণে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ এলাকা রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। যার কারণে গত শনিবার(১৩ জুন) জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এস.এম ফেরদৌস এক গণ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার (১৫ জুন থেকে ৪ জুলাই) পর্যন্ত রেড জোন এলাকায় জরুরি সেবা ও ঔষধের দোকান ছাড়া সমস্ত দোকানপাট,ব্যবসা প্রতিষ্ঠিান বন্ধ ঘোষণা করেন।

তারই ধারাবাহিকতায় আজ মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রেড জোন কার্যকর করতে সিংগাইর পৌর এলাকায় কঠোরভাবে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা প্রশাসন।

এ অভিযানে অংশনেন মানিকগঞ্জ এডিসি জেনারেল মো.মনিরুজ্জামান,নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা,সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহের নিগার সুলতানা,ওসি-আব্দুস সাত্তার মিয়া,তদন্ত-আবুল কালাম,পৌর মেয়র এড্ মো.খোরশেদ আলম ভূঁইয়া জয়,কাউন্সিলর মো.সমেজউদ্দিন।


উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, রেড জোন এলাকায় বিধি নিষেধ অমান্য করে অযথা ঘুরাফেরা ,দোকানপাট খোলা রাখা ও মোটরসাইকেল নিয়ে রেড জোন এলাকায় প্রবেশ করায় পথচারী আব্দুল হক,কুলসুম,গিনি বেগম,আরিফুর ইসলাম,কাদের মিয়া,গোলাম সারোয়ার,আজিজ খান,সাহাবুদ্দিন প্রত্যেককে ৫শ’ টাকা,সাহারিয়া রাজন মোটরসাইকেল নিয়ে প্রবেশ করায় ৫ হাজার ও আব্দুল হক ২ হাজার,তালের আশ বিক্রেতা ২শ’অজ্ঞাত নামের মোটর সাইকেল চালক ৫শ’ সিংগাইর বাজারে মঞ্জু টেড্রার্স ৫ হাজার,মেসার্স বসন্ত বীজ ভান্ডার ৫ হাজার হেলিপেড এলাকার আবুল বাশারের মুদি দোকানে ১০ হাজার টাকা,দন্ডবিধি ১৮৬০ সনের ২৬৯ ধারায় এ অর্থদন্ড করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুনা লায়লা বলেন, এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আজ শুধু জরিমানা করা হয়েছে। আগামীতে প্রয়োজন ছাড়া কেউ বের হলেই তাদের আটক করে জেলে পাঠানো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *