সিংগাইর(মানিকগঞ্জ):মানিকগঞ্জের সিংগাইর সার্ক ব্রিক্সের বিষাক্ত ধোঁয়ায় চান্দহর ইউনিয়নের রিফাইতপুর (চালিতাপাড়া) চকের প্রায় ২০ একর ইরি ধান পুড়ে গেছে। এবং গবাদী পশুর ঘাসসহ আশে-পাশের বাড়ির গাছের আম-কাঠাল কালো হয়ে পচন ধরতে শুরু হয়েছে। এতে ওই এলাকার সাধারণ কৃষকদের মাঠে বসার অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার চান্দহর রিফাইতপুর চকে অপরিকল্পিত ভাবে ফসলী জমির ওপর ইটভাটা গড়ে ওঠেছে। এই ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়া ও গরম হাওয়ায় প্রতিবছর কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়। তারই ধারাবাহিকতায় ওই ইটের ভাটা ইট পুরানো শেষে আগুন নেভানোর সময় চুঙ্গি দিয়ে বাতাসের সাথে আগুন, ছাই উড়ে গিয়ে ওই এলাকার পজেক্টের ইরি ধান পুড়ে কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় কৃষক মো. আব্দুল হক, মোকলেছুর রহমান,আনু মাদবর, মজিবর, মনির মাস্টার, শাহজাহান, জমসের পেইদা, আক্কাছ মেম্বার, রফিক, নবু শিকদার, নুরু মিয়া বলেন- ফরিদ গংদের ইট ভাটার ধোয়ায় আমাদের ধান পুড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। সেই সাথে এই চকের সকল ইটভাটা বন্ধের জোড় দাবি জানান প্রশাসনের কাছে।
সার্ক ব্রিক্সের মালিক মো. ফরিদ হোসেন বলেন- আমি কৃষকের ক্ষতিপূরন দিয়ে দিবো। স্থানীয়রা যা করবে আমি মেনে নেব। তবে আমার পাশে এম.ই.এম নামে আরেকটি ইটভাটা আছে। একই দিনে সে এ ঘটনা ঘটায় ।
উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন জানান- সার্ক ইটভাটার ধোঁয়ায় ৪০% হারে প্রায় ২০ একর জমির ধান সম্পূর্ন পুড়ে গেছে। আমি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের তালিকা করে অফিসে জমা দিয়েছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. টিপু সুলতান স্বপন- ইট ভাটার মালিকদের দিয়ে ক্ষতি পূরনের ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি প্রনোদনা আসলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের দেয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা বলেন- অভিযোগ পেয়েছি। কৃষকের এই ক্ষতিপুরন অব্যশই ইট ভাটার মালিক কে দিতে হবে। কৃষকের ফসল ক্ষতি করে ভাটা কিভাবে চালায় খতিয়ে দেখবো।
