সাড়া ফেলেনি ‘বিশ্বসুন্দরী

অনলাইন ডেস্ক:  তোমার কাছে প্রেম মানে কী? বিদায় নিয়ে চলে যাওয়ার সময় একটুখানি ফিরে তাকানো’- সিয়াম ও পরীমনির কণ্ঠে এমন সংলাপ দিয়েই শুরু হয় ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমার ট্রেলার। বুধবার (২ ডিসেম্বর) ইন্টারনেটে প্রকাশিত হয়েছে ট্রেলারটি। প্রকাশের পর চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপে আলোচনায় চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত প্রথম সিনেমা ‘বিশ্বসুন্দরী’।

সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে সান মিউজিক অ্যান্ড মোশন পিকচার্স। রুম্মান রশীদ খানের গল্প, চিত্রনাট্য ও সংলাপে সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন চম্পা, আলমগীর, ফজলুর রহমান বাবু, মনিরা মিঠু, আনন্দ খালেদ, খালেদ হোসাইন সুজন প্রমুখ।

২ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের ট্রেলারে খুব খুশি হতে পারেননি সিনেপ্রেমীদের কেউ কেউ। ভিডিওর কমেন্টস থেকে তার ধারণা পাওয়া গেছে। মুনতাসির মামুন নামের এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘কেমন জানি নাটক নাটক ভাব। যাক সিয়ামের জন্য হলেও শুভ কামনা।’

কিং নিশান নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘ছবির কালার এমন হলে ভাল লাগে না। ছবির কালারগুলো একটু ডিপ করলে অসাধারণ লাগে। এবং ছবি ছবি লাগে। যেমন ইন্ডিয়ান ছবিগুলো।’

ট্রেলারে কালার গ্রেডিং নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন অনেকেই। প্রকাশিত ট্রেলারের কমেন্টস ঘরে আশরাফুল ইসলাম নামের একজন লিখেছেন, ‘এমন হওয়ার কথা ছিলো না। এতো অগোছালো কেন? কেমন একটা ঝিম ধরা টাইপের ট্রেলার।’

রেফাত হাসান নামের একজন লিখেছেন, ‘ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ধরতে তড়িঘড়ি করে সিনেমা রিলিজ দিলে হবে? শিল্পের শিল্পমান না থাকলে সেই শিল্প অর্থহীন।’

তবে নিজের প্রথম পরিচালিত সিনেমা ‘বিশ্বসুন্দরী’ নিয়ে আশাবাদী চয়নিকা চৌধুরী। সময় নিউজকে তিনি বলেন, ‘টেনশনে আছি অনেক। আমি যত্ন করে সিনেমাটি বানিয়েছি। ভাগ্য খারাপ নাকি ভালো জানি না। তবে আমি সৌভাগ্যবান, এত বড় বাজেটের একটি সিনেমা প্রযোজক মুক্তি দিতে রাজি হয়েছেন।’

এ সিনেমা দিয়ে কী দর্শক হলে আসবে? জানতে চাইলে চয়নিকা চৌধুরী বলেন, ‘সিনেমা হলকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, সিনেমাকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। সবকিছু চারদিকে হচ্ছে। খাওয়া দাওয়া, ঘোরাঘুরি, হলুদ-বিয়ে, কক্সবাজারে ভিড় সবই হচ্ছে। যখন মানুষ সিনেমা হলে যাবে আশা করি সচেতন হয়েই যাবে। যারা সিনেমাকে ভালোবাসে তারা হলে যেতে পারেন।’

সিনেমার কালার গ্রেডিং একদম পারফেক্ট আছে। এ নিয়ে দর্শকদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই উল্লেখ করে নির্মাতা আরও বলেন, ‘ইউটিউবে আসলে পরিপূর্ণভাবে কিছু বোঝা যায় না। পর্দায় সবকিছু পারফেক্ট থাকবে। আমি আশা করি, পর্দায় দর্শকের চাহিদা মিটবে। আমার যেটা ভালো লাগে সেটা আমি করেছি। সেটা আরেকজনের ভালো নাও লাগতে পারে। অন্যের ভালো লাগে নাই বলে আমার জিনিসটা খারাপ তাও কিন্তু না। সবাইকে সম্মান দিয়ে বলছি, আপনার ভালো লাগে নাই কিন্তু বাকি দশজনের ভালো লাগতে পারে।’

‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমায় আলমগীর-চম্পা ‍জুটিকে দর্শকের জন্য আলাদা চমক হবে? উত্তরে চয়নিকা বলেন, ‘হ্যাঁ অবশ্যই চমক। আমি আগেই বলেছি, আমার সিনেমাটার শেষে চমক আছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *